প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ৫:০৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৫, ৪:০৮ পি.এম
ভালুকা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর হবিগঞ্জ থেকে হাত-পা বাঁধা ছাত্রদল নেতা উদ্ধার
ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর ছাত্রদল নেতা মামুনকে (২১) হাত-পা বেঁধে সিলেট হবিগঞ্জে সড়কের পাশে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে সেখান থেকে উদ্ধার করে সিলেট হবিগঞ্জে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ভালুকা থানা পুলিশ গিয়ে তাঁকে নিয়ে আসে। মামুন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি উপজেলার গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর সংকরপুর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি।
তিনি নিখোঁজ হওয়ার পর ১০ ফেব্রুয়ারি ভালুকা মডেল থানায় জিডি করেন বড় ভাই ইসলাম উদ্দিন। উদ্ধারের পর মামুন জানিয়েছেন, সোমবার রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকার কর্মস্থল থেকে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামের ভাড়া বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি। পথে লিচু বাগানের কাছে অজ্ঞাতপরিচয় তিনজন তাঁকে পেছন থেকে ডাক দেয়। তিনি কাছে যাওয়ার পর আরও দু’জন এসে তাঁর চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে। পরে তাঁকে ইনজেকশনের মাধ্যমে অচেতন করে অজানা স্থানে নিয়ে একটি ঘরে আবদ্ধ করে রাখা হয়। একটি মাইক্রোবাসে তুলে হাত-পা বেঁধে সড়কের পাশে ফেলে দেয়। সেখান থেকে এক বাসচালক ও পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে বাহুবল হাসপাতালে নেয়। পরে বাহুবল থানা পুলিশ তাঁকে ভালুকা মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।মামুন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। গত ৪ আগস্ট ময়মনসিংহের ভালুকার জামিরদিয়া এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলায় তোফাজ্জল হোসেন নামে একজন গুরুতর আহত হন। পরে মামুন তাঁকে নিয়ে স্থানীয় একাধিক ক্লিনিকে যান। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসা না পেয়ে তোফাজ্জলের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হওয়ায় মামুনকে অপহরণ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির জানান, মামুনকে হবিগঞ্জ থেকে উদ্ধারের পর ভালুকায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
Copyright © 2022 www.mymensingherkhobor.com - All rights reserved.