ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার কতিপয় পুলিশের সঙ্গে দফারফা থাকার কারনেই আওয়ামী লীগ ও তার অংগ সংগঠন এর ক্যাডার মিছিলের নেতৃত্ব দানকারী চুরখাই বাজারের সুমন এখনো গ্রেফতার হয়নি!
জুলাই২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এলাকায় দলীয় আধিপত্য বজায় রেখে সন্ত্রাসী সুমন দলীয় কার্যকলাপ চালিয়ে, চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। দলীয় পদ পদবী অন্ধকারে রাখতে স্থানীয় পুলিশকে দিয়েছে মোটা অংকের টাকা। এমন প্রচার রয়েছে এলাকায়। সুমন গভীর রাতে থানায় আসাযাওয়া করে বলে অনেকে জানিয়েছে। নিজেকে আড়ালে রাখতে, পুলিশ দিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে হয়রানি করা , চাঁদা না দিলে মারধর করা, পুলিশের ভয় দেখানো, টাকা না দিলে বাড়ি ঘরে হামলা করার অনেক ঘটনা রয়েছে।
স্বরেজমিনে জানা যায়, চুড়খাই বাজার ব্যবসায়ী মোফাজ্জল ,রফিকুল, সবুজ ,নাঈম ,সিদ্দিক মুন্সী ,আশরাফ আলী গং দের জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তারা জানায় সুমন একজন সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, জুয়ারী ও জুয়ার বিডার, মাদক ব্যবসায়ী ও তার বোনের জামাই জুয়ার বিডার খালেক। বিডার খালেককে চুরখাই বাজার থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৪ জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এখনো সেখানে রাতে জুয়ার আসর বসে।
স্থানীয় জনগন জানায়, সুমন খালেকের জুয়ার বোর্ড থেকে নিয়মিত টাকা দেয়ার কারনে পুলিশ সেখানে হানা দেয়না।
সুমন আওয়ামী লীগের একজন আস্থাভাজন মিছিল সন্ত্রাসী। সুমন তার অনেক সন্ত্রাসী লোক নিয়ে মিছিল করে এলাকায় আতংক করে রাখে। এখন সে কখনো জামাত শিবির আবার কখনো বিএনপির সমর্থক বনে গেছেন।
পান ঘাগড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ ও নজরুল বলেন, মো:সুমন মিয়া ,পিতা মোহাম্মদ আলী বাবুল ওরফে বন্দুক বাবুল সাং-পনঘাগড়া,ডাকঘর -চুড়খাই বাজার,সদর,ময়মনসিংহ। এই সুমনের পিতা মোহাম্মদ আলী বাবুল মিয়া,শামীম এণ্টারপ্রাইজ এ খুলনা যাওয়ার উদ্যেশে গাড়ীতে উঠলে ২০শে জুন ২০১৮ সালে রাত ৯ টার সময় ঢাকার কাউন্টারটেরিজম তাকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার করে ঢাকা নিয়ে যায় এবং ঢাকা মেট্রো বি:ট্রা: মা:নং ৫৩১|১৮,সুত্র: তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা থানার মামলা নং ২১(৬)২০১৮।
পরবর্তীতে ৩০শে জুন২০১৮ইং মোহাম্মদ আলী বাবুল মিয়া কে নিয়ে কাউন্টারটেরিজম ইউনিটের একটি দল মাইক্রোবাসে করে বাবুল কে তাহার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে এবং বাবুলের শিকার উক্তিতে বাবুলের রান্না ঘড় এবং তার বাড়ি মেয়ের জামাই খালেক সরকার পিতা মৃত আতাউর রহমান এর রান্না ঘড়ের মেঝে তে খনন করে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলাবারুদ উদ্দার করে । এ সময় উপস্থিত সাক্ষী গণ শহীদুল্লাহ খোকা, সিদ্দিকুর রহমান, আসাদুল সরকার। আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।