ময়মনসিংহ শহরের বুক ছিড়ে ভয়ে গেছে ভৈরব রেললাইন। আর এই রেললাইনের পালপাড়া অংশ আজ পরিণত হয়েছে ভয়ঙ্কর এক অপরাধের দুর্গে! দিন যায়, রাত আসে—কিন্তু পালপাড়া রেললাইনের চিত্র পাল্টায় না।
মাদক বেচা-কেনা, চুরি, ছিনতাই, নারী নিয়ে অসামাজিক কাজ ( ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়), এমনকি ধর্ষণ—ঘটে যাচ্ছে একের পর এক। কিন্তু পুলিশ কোথায়?
এক প্রত্যক্ষদর্শী বললেন, “প্রতিদিন রাত হলেই শুরু হয় নেশাগ্রস্ত একদল অপরাধীর শাসন! তারা ৫/৭ জনের দল বেঁধে ঘোরে, পথচারীদের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করে। আর আমরা চুপচাপ দেখি—কারণ জানি, কেউ আসবে না বাঁচাতে।” শুধু তাই নয়, সম্প্রতি এক নারীর উপর ভয়ঙ্কর নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা শহরবাসীকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। তবুও পুলিশ চুপ!
স্থানীয়দের প্রশ্ন? প্রশাসন নিষ্ক্রিয় কেন? তাদের মাঝেও কি আতংক? এখানে “নারী, শিশু, বৃদ্ধ—কারো কি আর নিরাপত্তা নেই? এখানেই বসবাস করা লোকটি জানায়, প্রতিবাদ করার সাহস আমার বা এলাকাসীর নাই। “নিজ এলাকার হয়েও যদি নিরাপত্তা না পাই, তাহলে কার কাছে যাব?” অভিযোগ আছে—ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার প্রতিটি মোবাইল টিমে মাত্র ২/৩ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত। এমনকি রাতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবির) কোনো তৎপরতা চোখে পড়ে না! আর এই সুযোগে অপরাধীরা বেপরোয়া! চুরি-ছিনতাই তো নিত্যদিনের ঘটনা, এখন রেললাইনের পাশে তৈরি হয়েছে মাদক সেবনের আড্ডা!
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দার গলায় রাগ আর হতাশার মিশেল ছুড়ে বলেন: “আমরা পুলিশকে জানাই, কিন্তু তারা বলে লোকবল নেই। নিরাপত্তা নেই।
খুজ নিয়ে জানা যায়, এখানে অপরাধীদের ২/৩ টি টিম রয়েছে। এদর অনেকে স্থানীয় ও প্রভাবশালী। এরা মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই করে।রেল লাইনের পাশেই রাখা হয় দেশীয় অস্ত্র। কারো কারো বাসায় বা গেরেজে রাখা হয়। সন্ধা হলেই এখানকার আস্থা হয় ভয়ংকর। দিনি যাদের বাবা বা অভিভাবকদের সালাম দেয়া হয়, রাতে এখানে তাদের পোলাইপান ভয়ংকর রূপে দেখা যায়।
জনগন এর প্রতিকার চায়।