ময়মনসিংহে চরপাড়া, টাউন হল মোড়, আকুয়া বাইপাস ও মাসকান্দা বাইপাস এলাকায় গত ১৬ বছর ধরে একাধারে সিএনজিতে বেপরোয়া ভাবে চাদাবাজী করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চাদাঁবাজীতে তার দলে রয়েছে ১৭/১৮ জন। এ ব্যপারে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা হয়েছে। মামলা হবার পর সিএনজি”র চালকদের প্রান নাশের হুমকী বেড়ে গেছে। চালকরা আতংকের মাঝে সিএনজি চালাতে বাধ্য হচ্ছে।
জানা যায়, দেবব্রত দাস দুকুল (৫৫), মদন রায় চৌধুরী (৬১)ও মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪৩)'দের বিরুদ্ধে চাদাঁবাজীর অভিযোগ করেন ফয়সাল নামের এক সিএনজি চালক। মামলার বাদী উল্লেখ করেন, মোঃ ফয়সাল সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং ত্রিশাল বাসষ্ট্যান্ড হইতে যাত্রী নিয়ে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানাধীন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ গেইট পর্যন্ত সিএনজি গাড়ী ভাড়ায় চালায়। মোঃ ফয়সাল ছাড়াও ত্রিশাল থানা এলাকার আরো অনেক সিএনজি গাড়ীর চালকগন একই রোডে গাড়ী চালায়। আসামীরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ গেইট সিএনজি স্ট্যান্ডের রক্ষনাবেক্ষন করে বিধায় সকল চালকগন উক্ত সিএনজি স্ট্যান্ডের খরছ বাবদ প্রতিদিন গাড়ী প্রতি ২০/- টাকা প্রদান করি। প্রতিদিনের ন্যায় ইং-২২/০২/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ গেইট সিএনজি স্ট্যান্ড হইতে ফয়সাল সিএনজি গাড়ীতে যাত্রী তুলে ত্রিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া মাত্রই বিবাদীরা ফয়সালের নিকট উক্ত সিএনজি স্ট্যান্ডের খরছ বাবদ গাড়ী প্রতি ৭০/-টাকা চাঁদা দাবি করে। তখন সে ২০/- টাকার পরিবর্তে ৭০/- টাকা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করিলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হইয়া ফয়সালকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে এবং বিবাদীদের দাবিকৃত প্রতিদিন গাড়ী প্রতি ৭০/- টাকা চাঁদা না দিলে উক্ত রোডে মোঃ ফয়সালকে সিএনজি গাড়ি চালাইতে দিবে না বলিয়া হমকি দেয়। তখন ফয়সাল প্রতিবাদ করিলে বিবাদীরা তাকে মারপিট করিতে উদ্যত হয় এবং খুন, জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ তাকে ত্রিশাল থানা এলাকার কোন সিএনজি গাড়ীকে উক্ত রোডে যাত্রী নিয়ে চলাচলা করিতে দিবেনা বলে হুমকি দেয়।
দুকুল সড়কের সন্ত্রাসী।সে টাউন হল মোড়ে শতাধিক সিএনজি থেকে ৭০ টাকা হাড়ে প্রতিদিন চাদাঁবাজী করে। চাদাবাজী করে আকুয়া বাইপাসেও। সেখানেও প্রায় একশো সিএনজি আছে।