ময়মনসিংহ সদরে ২০২৪ শে পট পরিবর্তনের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের শতাধিক নেতা কর্মী গ্রেফতার হলেও অনেকেই হাইকোর্ট থেকে জামিনে বের হতে পেরেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন মামলায় অজ্ঞাত নামা আসামী হয়ে শ্যোন অ্যারেস্ট হয়েও জামিন হলে, পরেই মুক্তি মিলেছে! সম্ভত, এসময় যেন আইন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল? অনেকে বেড়িয়ে গেলেও ময়মনসিংহে সর্ব মহলে পরিচিত, মানবিক, জনপ্রিয় নেতাদের জামিন হলেও তারা বিভিন্ন মামলায় অজ্ঞাতের তালিকায় আসামী হয়ে জেল হাজতে আটক আছেন। অনেকের মতে মানবতা যেন এ ক্ষেত্রে অর্থহীন। মাসের পর মাস আর বছরের পর বছর যারা অজ্ঞাত নামা আসামী হয়েও শ্যোন অ্যারেস্টে আটক আছেন তারা হলেন, রাসেল পাঠান, নওফেল আহম্মেদ অনি ও ওমর ফারুক সাবাস। প্রতি ঈদেই এসকল বন্দিদের দানের হাত হতো প্রশস্থ। হাজারো গরীব দুখির ঈদের চিনি, সেমাই, পোলাও ও নতুন জামা কাপড় মিলতো এদের দানের টাকায়। তাদের অহাজারি, কত ঈদ যাচ্ছে তবুও স্যারদের মুক্তি মিলেনা!
ময়মনসিংহে রানৈতিক অঙ্গনে রাসেল পাঠান পরিচিত নাম। সে একজন সফল ব্যবসায়ীও। তিনি ছিলেন মহানগর যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক। এ পর্যন্ত তাকে ৪ টি মামলায় ধাপে ধাপে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। প্রতিটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন হলে আশায় বুক ভরে পরিবার কিন্তু পরক্ষনেই পুলিশের কাছ থেকে আসে শ্যোন অ্যারেস্ট। আর বের হওয়া সম্ভব হয়না! এ ভাবেই আশা আর নিরাশায় চলছে তাদের বন্দি জীবন।
নওফেল আহমেদ অনিও রাজনৈতিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। এখন তিনি মুক্তাগাছার ৭ নাম্বার মামলায় গ্রেফতার আছেন। দেড় বছরের অধিক সময় তাকে ধাঁপে ধাঁপে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে আটক রেছেন। ময়সনসিংহ মহানগর শাখার ছাত্রলীগের আহবায়ক। তারও প্রচুর জনপ্রিয়তা রয়েছে। প্রতিটি মামলায় তাকেও হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে হয়েছে। তবুও মুক্তি মিলেনি কারন, নতুন মামলায় আসামীর তালিকায় নাম না থাকলেও হতে আসামী হিসেবে শ্যোন অ্যারেস্ট!
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ২৩ ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক ও সমবায় সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক সাগর সেও জেলে আছেন মাসের পর মাস। ২০ মাসের অধিক বলে তার পরিবার জানান। তাকেও জামিন হলেই দেয়া হচ্ছে মামলা। এ শহরের ব্যপক জনপ্রিয় কাউন্সিলর। মানবিক মুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। আওয়ামী রাজনীতির পদ পদবীই যেন তাদের কাল হয়ে দাড়িছে!
সুত্র জানায়, পুলিশ এ সকল বন্দি বা আটকদের এক সাথে সব মামলায় গ্রেফতার দেখায় না! এই আচার্য কলাকৌশল মানবাধিকার লঙ্গন বলে অনেকে দাবী করেন।