
সাংবাদিকতার আড়ালে সুবিধাভোগী, বিগত সরকারের অনুচর বা গুপ্তচর চক্রের ফ্যাসিস্ট কথিত সাংবাদিক পেশাদার সাংবাদিকদের নানাভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্বার্থান্বেষী একটি মহল অপপ্রচার চালাতে স্ক্রিনশট ছবি ব্যবহার করে সুকৌশলে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা ও চাঁদাবাজির মামলায় প্রকৃত সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করছে, যার ফলে অনেকেই বিনা দোষে আইনি জটিলতার মুখে পড়ছেন।
ময়মনসিংহের সরকার পতনের পরে একাধিক একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেক ফেসবুক আইডি ও মেসেঞ্জার অ্যাকাউন্ট তৈরি করে শতাধিক ভুয়া আইডি খুলে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। লোকজনকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নামসর্বস্ব ফেক আইডি থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও কুৎসা রটানো এদের নিয়মিত কাজে পরিণত হয়েছে।
এসব ভুয়া আইডির সঙ্গে জড়িত অনেকেই থানার দালালি ও মামলা বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালাতে স্ক্রিনশট ব্যবহার করে ফেক আইডি মেসেঞ্জার চ্যাট অ্যাকাউন্ট তৈরি ফরেনসিক পরীক্ষার (ডিজিটাল প্রমাণ) মাধ্যমে জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান সচেতন মহল।
এরা পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধেও ব্যস্ত বলে অভিযোগ রয়েছে।
অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার লোকজনের পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার একাধিক প্রতিনিধি হয়রানির শিকার হয়েছে।
এছাড়া গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে বিভিন্ন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীকে টার্গেট করে নানারকম মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে মানহানিকর পোস্ট প্রকাশ করে অর্থ দাবি করে আসছে চক্রটি।
অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে তাদের স্ক্রিনশট ছবি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যমূলক ভাষায় পোস্ট করা হয়। পরে অন্য ভুয়া আইডি থেকে ওই পোস্টগুলোর নিচে উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা হয়।
গত কয়েক মাসে এই চক্রের মাধ্যমে বহু মানুষের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।