প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ২৫, ২০২৬, ৫:১০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৪, ২০২৬, ৩:৪১ পি.এম
প্রস্তুতি শেষ, রাত থেকে শুরু হজের আনুষ্ঠানিকতা

আজ রোববার (২৪ মে) স্থানীয় সময় এশার নামাজ আদায় করে মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা করবেন লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। হজের অংশ হিসেবে ৭ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফায় অবস্থান করবেন হাজিরা।
আগামী মঙ্গলবার (২৬ মে) মক্কার ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র হজের মূল খুতবা ও সমাবেশ। এ বছর বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২০ লাখের বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালন করছেন। ঝামেলামুক্ত ও নির্বিঘ্নে পবিত্র হজের কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি মক্কায় অবস্থিত বাংলাদেশ হজ অফিস সহ বিভিন্ন দেশের হজ মিশনগুলো হাজিদের সেবায় সার্বক্ষণিক কাজ করছে। হাজিদের মিনায় নেওয়ার জন্য যাতায়াত ও আবাসনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে হজ কর্তৃপক্ষ।
মূলত ‘তাঁবুর শহর’ নামে পরিচিত মিনা প্রান্তরে পৌঁছানোর মাধ্যমেই হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। হজের পাঁচ দিনের প্রথম দিন মিনায় অবস্থান করা এবং সেখানে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকা সুন্নত। মিনায় যাওয়ার আগে হাজিরা হজের নিয়তে ফরজ ইহরাম পরিধান করেন। মক্কায় অবস্থানরত বিদেশিরা নিজ নিজ হোটেল কিংবা মসজিদে হারাম বা নির্দিষ্ট মিকাত থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় রওনা হন। হজ পালনকারীদের জন্য ৮ জিলহজ জোহরের নামাজের আগে মিনায় পৌঁছা এবং সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ও রাতযাপন করা সুন্নত। মিনায় অবস্থানের পুরোটা সময় হাজিরা তালবিয়া, জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতে মশগুল থাকেন।
পৃথিবীর নানা ভাষার মুসলিমের মুখে উচ্চারিত ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নিমাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মিনা প্রান্তর। মিনায় অবস্থানের পর পর্যায়ক্রমে ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান, মুজদালিফায় রাতযাপন এবং জামারাতে (শয়তানকে) কঙ্কর নিক্ষেপ, কোরবানি ও মাথা মুণ্ডনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতা পালন করবেন হাজিরা। পরবর্তীতে জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপের মধ্য দিয়েই ১২ জিলহজ শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।
Copyright © 2022 www.mymensingherkhobor.com - All rights reserved.