
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ২নং কুষ্টিয়া ইউনিয়নের চর দরি কুষ্টিয়া মোন্নাছের গুদারা ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধ ড্রেজার অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে ।
দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকার বালু বাণিজ্য করে চলছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অজান্তে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই প্রভাবশালী একটি চক্র সিন্ডিকেট তৈরী করে বালু বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে। ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বেআইনী ভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে দেখার কেউ নেই।।
কুষ্টিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের চর দরি কুষ্টিয়া এলাকার কালা চাঁন মিয়া নামক ড্রেজার মালিক বালু মহাল বানিয়ে ঘাটে বালু উত্তোলন করে বালুর স্তুপ থেকে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ ভাবে বালু পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে রাতের আঁধারে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে বালু চুরি করে উত্তোলন করে বিক্রি করছেন কালা চাঁন মিয়া নামক একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট মহল।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন এলাকার প্রভাবশালী মহলটি কুষ্টিয়া ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ড চর দরি কুষ্টিয়া মোন্নাছের ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদের বালু ড্রেজার দিয়ে উত্তোলন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ।
স্থানীয়, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই রহস্যজনক ভাবে বালু বাণিজ্য চলছে।
প্রভাবশালী বালু মহলের মালিকদের ভয় পায় বিদায় বাঁধা দিতে পারি না। বালু মহল যে কোন সময় আমাদের উপর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে ক্ষতি সাধন করতে পারে। আমরা দেখতেছি দিনে রাতে লরি দিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে বালু নিয়ে যাচ্ছে।
এলাকায় কেউ বসতবাড়ির ভিটা উঁচুকরণ, গর্ত ভরাটসহ ইটভাটার কাজে লাগাচ্ছে।
প্রতি হাজার বালু নিচ্ছে ৮ হাজার থেকে ৯ হাজার টাকা করে নিচ্ছেন ।
ড্রেজার মালিক কালা চাঁন মিয়া এলাকার প্রভাবশালীদের মাধ্যমে পরিচালনা করছে বলে স্থানীয়দের দাবী। তারা দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে চলছে বলেও স্থানীয়রা জানান।
সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির অবৈধ বালু উত্তোলনের বাণিজ্যে এলাকায় কৃষি চাষাবাদ বিপন্ন ও জনগণের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ভয়ে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অসহায়িত্ত্ব প্রকাশ করেছে। অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধে এগিয়ে আসার জন্য অসহায় জনগণ এলাকার পক্ষ থেকে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন
অবৈধ বালুভর্তি লরি (ট্রাক্টর, ড্রাম ট্রাক) অতিরিক্ত ভারী গাড়ি চলাচলের কারণে গ্রামীণ ও আঞ্চলিক রাস্তাঘাটের বেহাল দশা সৃষ্টি হচ্ছে। এই ভারী যানবাহনের চাপে পিচ ও ইট উঠে ছোট বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয় কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়, যা জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁয়াছে।
এতে বালু-ধূলিকণা বাতাসে মিশে বায়ু দূষণ করছে। সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
বালু মহাল ও আশপাশের এলাকা থেকে প্রতিদিন বালু তুলে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে বহন করা হচ্ছে। এই বালু বিভিন্ন বসতবাড়ির ভিটা উঁচুকরণ, গর্ত ভরাটসহ ইটভাটার কাজে নেওয়া হয়।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান ইজারাবিহীন বালু বিক্রি করাতে আমরা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। এসব ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অনুমোদনহীন ও অবৈধ ভাবে উত্তোলিত বালু জব্ধ ও এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান তারা।