ময়মনসিংহ শহরের কুখ্যাত মোখসেদ চোরা চুরির লাইসেন্স চায়। কোতোয়ালী মডেল থানার এস আই আনোয়ার হোসেন তাকে গ্রেফতার করার পর এমন কথাই হরদম বলেছে। সে শুধু পুলিশকে এমন দাবীর কথা বলেনি বলেছে কয়েকজন গনমাধ্যম কর্মীদের কাছেও। সে এক ভংকর চোর। চুরিই তার পেশা।তার নামে বিভিন্ন থানায় ডজনখানেক মামলা রয়েছে।
ঘটনার বিবরনে প্রকাশ, ৩০ এপ্রিল দুপুরে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা এলাকার ঘাগড়া গোপালনগর বাজারে আহাদ টেলিকম বিকাশের দোকান থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা চুরি করা চোরকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানার এস আই আনোয়ার হোসেন। তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া কিছু টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে।
৩০ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক ১.৪০ ঘটিকার সময় ঘাগড়া এলাকার গোপালনগর বাজারে আহাদ টেলিকম নামীয় দোকানের মালিক বাসায় যায়। পরবর্তীতে কিছু সময় পর দোকানে এসে দেখে দোকানের সাটার খোলা এবং আরো দেখি দোকানের ভেতরে ড্রয়ারে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ২০ হাজার টাকার রিচার্জ, মিনিট, এমরি কার্ড, ২টি মোবাইল ১টি সাওমি মোবাইল ও অপরটি স্যামফনি মোবাইল ফোন যার বর্তমান আনুমানিক বাজার মূল্য ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা সহ সর্বমোট ২ লাখ৯৫ হাজার টাকার মালামাল যথাস্থানে নেই। পরবর্তীতে দোকানের সিসিটিভির ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পায় উক্ত সময়ের মধ্যে এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি দোকানের সার্টার খুলে ড্রয়ারের তালা ভেঙ্গে দোকানে থাকা নগদ টাকা, কার্ডসমূহ ৩২টি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়।
দোকান মালিক আব্দুল আহাদ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে কোথাও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে খুঁজে পায়নি। পরবর্তীতে জানতে পারে সুহিলা সাকিন বুধবাড়ীয়া বাজারে জনৈক আমিনুল ইসলাম এর বিসমিল্লাহ ঔষধ ঘর দোকান হইতে ঘরের ভিতরে কাউন্টারের ড্রয়ারে থাকা নগদ ১৮ হাজার টাকা, একটি অপো এন্ড্রয়েট মোবাইল ফোন যাহাতে ব্যবহৃত সিম নং-০১৭১৭-০৬-২, ১৯০-২৬৪৬৪৬ নাই। চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনের মূল্য অনুমান ১৪,০০০/- (চৌদ্দ হাজার) টাকা।
এব্যপারে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা হলে এস আই আনোয়ার হোসেন তদন্তের দায়িত্ব পান। এর পরে তিনি চোর সনাক্ত করে, বিভিন্ন স্থানে অভিয়ান পরিচালনা করে মোখলেস চোরাকে গ্রেফতার করেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ শহরের পাটগুদাম চর কালিবাড়ি এলাকায়।