গতকাল ৫ মে ২০২৩ তারিখ বিকাল অনুমান ১৭.০০ ঘটিকায় কথিত যাত্রীর ছদ্মবেশে ১। আশরাফুল (২৬), পিতা- মৃত আব্দুল কদ্দুছ, ঠিকানা- কুতুবপুর, থানা-নান্দাইল, জেলা-ময়মনসিংহ ও ২। মোঃ আঃ জলিল (৪৪), পিতা-মৃত নিরু ঢুলী, সাং-নওয়াপাড়া (ঢুলী পাড়া), থানা-কেন্দুয়া, জেলা-নেত্রকোনা-দ্বয় জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানাধীন আঠারোবাড়ি এলাকা থেকে কোতয়ালি থানাধীন শম্ভুগঞ্জ এলাকায় মাছের রেণু পোনা কিনতে যাবে বলে একটি অটো গাড়ি রিজার্ভ করে। এরপর অটোগাড়ির ড্রাইভার ভিকটিম খায়রুল বাশার চঞ্চল (১৯), পিতা-মোঃ খোকন মিয়া, সাং-কাকনহাটি, থানা-ঈশ্বরগঞ্জ, জেলা-ময়মনসিংহ কে গন্তব্যে না নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র ঘুরিয়ে সময়ক্ষেপন সময়ক্ষেপন করতে থাকে। পথিমধ্যে অটো চালককে অজ্ঞাত একটি স্থানে আখের রসের সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে পান করায় এবং তাকে অজ্ঞান করার পর ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানাধীন কলতাপাড়া নামক স্থানে পাকা রাস্তার পাশে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে অটোগাড়ী চুরি করে পালিয়ে যেতে উদ্যত হয়। ঠিক এই সময় টহলরত গৌরীপুর থানা পুলিশ রামগোপালপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাদেরকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করে এবং রাত অনুমান ১০.২৫ ঘটিকায় ধাওয়া করে আসামীদ্বয়কে উক্ত অটোগাড়িসহ হাতেনাতে আটক করে। পরবর্তীতে তাদের ভাষ্যমতে অজ্ঞান অটো চালককে কলতাপাড়া হতে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়। আসামীদের বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা যাত্রীবেশে অটো চালককে অজ্ঞান করে অটো ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছে।
আসামী আশরাফুল (২৬)-এর নামে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার মামলা নং-১২, তাং-২০/০১/২০২৩ খ্রিঃ, ধারা-৩২৮/৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড
এবং আসামী মোঃ আঃ জলিল (৪৪)-এর নামে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার মামলা নং-২০, তাং-২০/০১/২০২২, ধারা-৩০২/৩৯২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ও নেত্রকোনা কেন্দুয়া থানার মামলা নং-০৯, তাং-১৩/০১/২০০৯, ধারা-৩২৮/৩৭৯ পেনাল কোড ১৮৬০-এই দুইটি মামলা রয়েছে এবং তারা সংঘবদ্ধ অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।