নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই নৌকার প্রার্থী সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। তারাকান্দার মানুষ শান্তিপ্রিয়, তারা সন্ত্রাসী পছন্দ করে, গুটি কয়েক সন্ত্রাসী নিয়ে নির্বাচন হয়না। দাপট দেখিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার আদায় করা যায়না, অধিকার আদায় করতে হলে মানুষকে ভালোবাসতে হয় এমন মন্তব্য করেছেন আসন্ন তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী (ঘোড়া) নুরুজ্জামান সরকার বকুল।
গতকাল রাতে তার নির্বাচনী অফিসে অতর্কিত হামলা ও কর্মী সমর্থকদের উপরে গুলি বর্ষণ ও ককটেল ফাটিয়ে ভীতির সৃষ্টি করার ঘটনায় প্রতিক্রিয়ায় জানতে চাইলে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি জানান নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনেই নৌকার প্রার্থী সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নার্ভাস হয়ে পড়েছেন।ফলে এখন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।
আমার প্রচারণায় সাধারণ মানুষের ঢল দেখে তাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়।তাই তারা ন্যক্কারজনকভাবে হামলা করে আমার কর্মী সমর্থকের আহত করে।
এতে প্রমাণ হয়,আওয়ামী লীগের প্রার্থী তার পরাজয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে গেছেন।তাই এখন গুণ্ডা-মাস্তান, সন্ত্রাসীদের দিয়ে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করছেন।১২ জুন তারাকান্দার জনগণ এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দাত ভাঙা জবাব দিতে মুখিয়ে আছে।নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ হোয়াইট ওয়াশ হবে।এই ভয়ে তারা ইতস্ত হয়ে নিশ্চিত পরাজয় জেনে পেটুয়া বাহিনী দিয়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরী করেছে।
আর স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ক্ষমতাসীনদের পরাজয় হলে তার জন্য তারাই দায়ী হবে যা হবে জেদের খেসারত।
উল্লেখ্য যে তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর প্রচার কার্যালয়ে হামলা মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।গত রাতে এই হামলায় গুলিবিদ্ধ কয়েক জন সহ আহত ১৫ জনের মধ্যে ১০ জন ঢাকায় চিকিৎসাধীন।
এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক মানবাধিকার সংগঠন,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,এবং উপজেলার ভোটারদের বৃহৎ অংশ।