ময়মনসিংহ জজ কোর্টে কর্মরত থাকা সময়ে জজ কোর্টের কর্মচারী নিরপেক্ষ বিচারিক আদালতকে বিতর্কিত করার লক্ষে ময়মনসিংহ জজ কোর্টের কর্মচারী সামাদ ও সারোয়ার হোসেন এক মাদক মামলার আসামীর স্ত্রীর কাছ জামিন করিয়ে দিবে বলে ৪ লাখ টাকা নিয়ে ভূয়া জামিন নামা দিয়ে আরো আড়াই লাখ দাবী করার অভিযোগে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১ নং সি আর আমলী আদালতে মামলা করেন আসামীর স্ত্রী মাহফুজা খাতুন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডিকে নির্দেশ দিলে, সিআইডি তদন্ত করে ঘটনা সত্য বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
সুত্র জানায়, আসামীর স্ত্রী মাহফুজা খাতুন, বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১ নং সি আর আমলী আদালতে মামলা করেন। মামলা নং ১২৫৮/২০২১, ধারা- পেনাল কোড-১৮৬০ এর ৪০৬/৪২০/৫০৬(।।)। মামলাটি দায়েরের পর বিজ্ঞ বিচারক সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। সংস্থার পক্ষ থেকে তদন্তের দায়িত্ব বর্তায় উপ-পুলিশ পরিদর্শক নয়ন মিয়ার উপর। তিনি স্বরজমিনে প্রকাশ্য ও গোপনে তদন্ত কেিজ ব্যপক অনুসন্ধান চালান। ঘটনাটি দিনের আলোর মতই তার তদন্তে পরিস্কার হয়ে যায়। তিনি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, হাজতী আসামী মোতালেবকে জামিন করিয়ে দিবে বলে ৪ লাখ টাকা ময়মনসিংহ জজ কোর্টের কর্মচারী সামাদ ও সারোয়ার হোসেন নিয়েছেন। এর পরে মহামন্য হাইকোর্টের ভূয়া জামিন নামা দেখিয়ে আরো ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন। অবাক হওয়ার বিষয় যে, বিচারিক জজ কোর্টে চাকুরি করে এমন ভূয়া জামিন নামা তৈয়ার করার সাহস কোথা থেকে পেল! বর্তমানে অভিযোক্তরা কিশোরগজ্ঞ জজ আদালতে কর্মরত আছে বলে জানা যায়।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করেছেন, আপর অভিযুক্ত আব্দুল মতিনের বিরোদ্ধে অনিত অভিযোগে উল্লেখ যোগ্য স্বাক্ষ প্রমান পাওয়া যায়নি।