কিছুদিন যাবৎ মুক্তগাছায় প্যাকেজ আক্রমণ চলছে। এতে মুক্তাগাছার প্রশাসনের কার্যকরী ভুমিকা কি ছিলো মানুষ তা জানতে চায়? শুধু পুলিশ প্রশাসনের চেয়ার ঠিক রাখার জন্যই কি তাদের সব তাবেদারি? কে হত্যা করলো যুবলীগ নেতা আসাদকে? কজনই বা ধরেছে পুলিশ? আর কত রক্ত ঝড়লে হবে এর প্রতিকার? মুক্তাগাছাবাসী শুধু সন্ত্রাসী নয় প্রশাসনের ভুমিকা দেখে অসহায়ত্বা বোধ করছে? প্রশ্নবিদ্ধ করছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থ্যাকে। রাষ্ট্র যন্ত্র কি অচল? কি ভাবছে মুক্তাগাছার জনগন। খুনি কারা? কোন নেতার আদর্শের পৃষ্টপোষক? উত্তর খুব সহজেই পাবেন প্রশাসন। ঘটনাগুলোর নৈপথ্যে কোন অপশক্তি জড়িত???
একটি মায়ের বুক খালি করে কিসের রাজনীতি করবেন? অস্রের বাহাদুরি দেখিয়ে আধিপত্য বিস্তার করবেন এটা কোন সভ্য মানুষ মেনে নিবেনা। খুন হবে, হাত পা ঘুড়িয়ে দিবে, বাড়ি ভাংবে, চাদাবাজী করবে রাজনৈতিক পরিচয়ে এসব হলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে।
নিহত আসাদের সহকর্মী বলেন, আমরা শেখ হাসিনার পাগল দলের নিবেদিত প্রান আসাদ কে জীবিত ফেরত চাই।
আমরা মানিনা -আমরা জানিনা -আমরা জানতে চাইনা আসাদকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে কেন?
আসাদ আমাদের মাঝে আর নেই এটা মানতে আমাদের অর্থাৎ মুক্তাগাছার ৭ লক্ষ লোকের খুব কষ্ট হবে। ৭ লক্ষ লোকের কন্দন কিভাবে থামাবেন???
সর্বোপরি যে বা যাহারা এই নির্মম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের কে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসুন।