অনলাইন পত্রিকা ত্রিশাল প্রতিদিনে গত ২৯ আগষ্ট ভালুকায় বহুরূপী প্রতারক মফিজ গংয়ের প্রতারণায় নিঃস্ব একটি পরিবার শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন ভালুকার হাতিবেড় গ্রামে মফিজুল ইসলাম। প্রতিবাদে তিনি সংবাদটিকে সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে বলেন, প্রকৃতপক্ষে তিনি ভালুকার উথুরা ইউনিয়নের হাতিবেড় গ্রামের তার নিকট আত্বীয় সবুজ মিয়ার কাছ থেকে মুরগীর খামারের খাবার কেনার প্রয়োজনে দুই লাখ টাকা ধার (কর্জ) নিয়েছিলেন। ব্যবসায়িক সমস্যা দেখা দেওয়ায় ঋণের উল্লেখিত টাকা প্রদানে সামান্য বিলম্ব হয়। এতে সবুজ মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে আমার (মফিজুল ইসলাম) বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবি পুলিশের তৎসময়ে এসআই আকরাম হোসেন বিষয়টি মিমাংসা করে দিলে আমি সবুজ মিয়ার পাওনা দুই লাখ টাকা পরিশোধ করে দেই। এরপরও সবুজ মিয়া আরো অধিক টাকা পাওনা রয়েছে, এমনকি সবুজ মিয়াকে পুলিশের চাকুরী দেওয়ার অজুহাত তুলে আমার বিরুদ্ধে ৯ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে দাবি করেন। দুই লাখ টাকা কর্জ নেয়া এবং পরিশোধ করার পরও সবুজ মিয়া আমার বিরুদ্ধে ভালুকা থানায় সাজানো মিথ্যা, কাল্পনিক অভিযোগ সৃষ্টি করে আবেদন করেন। একইসাথে আমাকে এবং আমার পরিবারের লোকজনকে নানাভাবে ভয়ভীতি, খুন জখম এমনকি মিথ্যায় মামলা দিয়ে হয়রানী করবে বলে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে আসছে। আমি এ ঘটনায় ময়মনসিংহের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ভালুকা অঞ্চলে ১০৭/১১৭ ধারায় সবুজ মিয়া, আবুল কাশেম ফকির ও হাসান আলীদের নামে মামলা দায়ের করি। চক্রটি কোন উপায়ান্তর না পেয়ে আমার ও আমার মেয়ে এবং এ্যাপোলোর নামে ত্রিশাল প্রতিদিন অনলাইন পত্রিকায় মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে। আমি উল্লেখিত মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করছি।