স্বাধীনতার পর থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসারী আলহাজ মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে সিদ্দিক খলিফা। তার রাজনীতির আদর্শিক গুরু মুক্তাগাছার এড, শামছুল হক সাবেক এমপি। তার মৃত্যুর পর, বর্তমান উপজেলা চেয়াম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই আকন্দের সাথে রয়েছেন। রাজনীতির আদর্শিকতায় তিনি ১০ বছর মুক্তাগাছা কৃষকলীগের সভাপতি ছিলেন। ৫ বছর ছিলেন উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি। আওয়ামীলীগের এমন কট্রর রাজনীতিবিদ অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন যুবলীগের কতিপয় সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে। শুধু তাই নয় যুবলীগ নেতা আসাদ হত্যার অভিযোগের তীর ছুঁড়া হয়েছে এমপি ও তার বাহিনীর উপর। আসাদ হত্যার প্রতিবাদ সভা ও প্রতিবাদ মিছিলে এমপি ও বাহিনীর বিরুদ্ধে বক্তব্য ও শ্লোগান দেয়া হয়েছে। এসকল বক্তব্য ও শ্লোগান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ফেসবুক ওয়ালে ওয়ালে ধাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
যুবলীগের একাংশের নিয়ন্ত্রক মাহবুবুল আলম মনি”র হাতে। এ গ্রুপে ৩৫/৪০ জন সদস্য রয়েছে। এদের সবাই সন্ত্রাসী বলে জানা গেছে। মনির দখল করা বাসা দু’টি তারা আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে। যাদের কাজ সড়কে চাঁদাবাজী, জমি দখল, আধিপত্য বিস্তার, স্থানীয় এমপির গাড়ীর সাথে এদের যেতে দেখা যায়, আয়মন নদী দখল, টেন্ডারবাজী, এমপির বরাদ্দের প্রকল্প লুটপাট, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার। এদের নামে একাধিক মামলাও রয়েছে। মুক্তাগাছার এমপির জন্য প্রধান দেহরক্ষির ভুমিকায় থাকেন যুবলীগের মাহবুবুল আলম মনি। তিনি মুক্তাগাছ যতক্ষন থাকেন মাহবুবুল আলম মনি সর্বক্ষন তার পাশেই থাকেন। আর মাহবুবুল আলম মনির সাথে থাকে এসকল সন্ত্রাসীরা। এদের নামে আছে একাধিক মামলা। মনির নামেও হয়েছে একাধিক মামলা। মনি এমপির কাছের লোক হওয়ায় দফায় দফায় তার নাম চার্জশীট থেকে বাদ পড়ে যায়! এমন কি মুক্তাগাছা স্বাস্থ্য কম্পক্সের ডাক্তার পেটানোর ভিডিও ফুটেজ ও ডাক্তার তাকে এক মাত্র চিহ্নীত আসামী করলেও সেখান থেকে পুলিশ মনির নাম বাদ দিয়ে চার্জসীট দেন। এই প্রভাবশালী বাহিনীর হাতে গত ৫ বছরে অর্ধশতের অধিক আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে। চিহ্নীত সন্ত্রাসীদের মধ্যে ৩০ জনের নাম আসাদ হত্যা মামলা নং ৩০(৮)২০২৩ উল্লেখ রয়েছে। মুক্তাগাছায় এমপি’র অংশ গ্রহনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসকল সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে তারা তাদের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে থাকেন।
স্বাধীনতার পর থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসারী আলহাজ মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে সিদ্দিক খলিফা (৬০)। তাকেও এই চিহ্নীত সন্ত্রাসীদের ৭ জন মিলে কুপিয়ে ও বাইরাইয়া মারাত্নক আহত করেন। এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করলেও পুলিশ নাকি তা এজাহারে লিখতে দেয়নি। যুবলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা হাইব্রিড বলে এলাকায় পরিচিত। মাহবুবুল আলম মনিও যুবলীগে এসছে বিএপির অঙ্গ সংগঠন থেকে। দলীয় বিরোধী কাজ করায় তাকে দু’দফা বহ্নিস্কার করা হয় দল থেকে। সন্ত্রাসীদের আক্রমনের শিকার হওয়ার পর আলহাজ মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে সিদ্দিক খলিফা থানায় মামলা করেন। যার নং ২৩(৬)২০২৩। আসামীদের প্রভাব থাকায় সন্ত্রাসীরা একই তারিখে মামলা নং ২৫(৬)২০২৩ দায়ের করেন। মিথ্যার বেসাতী দিয়ে সাজানো মামলাটির জটিল সব ধারা বাদ পড়ে যায়। উভয় মামলার চার্জশীট হয়। মামলা দু’টি বিচারাধীন রয়েছে।