
ময়মনসিংহের ফুলপুরে কাঁচামালের চড়া দামে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভোক্তাগণ। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) ফুলপুর পৌরসভার আমুয়াকান্দা, ছনকান্দা ও বাসস্টেশন বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শাক-সবজিসহ সকল ধরনের কাচাঁমাল আগের চেয়ে অনেক বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে কাচাঁমালের খুচরা বিক্রেতাগণ প্রতি কেজি গোল আলু ৭০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা, শিম ১৪০ টাকা, পটল ৯০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, গাজর ১৭০ টাকা, ঢেড়স ৭০ টাকা, করলা ৯০ টাকা, বরবুটি ১০০ টাকা, কাকরুল ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৯০ টাকা, মিষ্টি লাউ ৭০ টাকা, কাঁচা পেপে ৩০ টাকা, ফুলকপি ১২০ টাকা, বাঁধাকপি ৯০ টাকা, কচুরমুখি ৯০ টাকা, শশা ৫০ টাকা, দেশী পিয়াজ ১০০ টাকা, এলসি পিয়াজ ৭০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৮০ টাকা, আদা ২৪০ টাকা ও রসুন ১৯০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এছাড়া মুলা শাকের প্রতি আঁটি ৪০ টাকা, লাল শাকের আঁটি ৩৫ টাকা, কলমি শাকের আঁটি ২৫ টাকা, পুইশাকের আটি ৩০ টাকা ও লাউ শাকের আটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন শাক ব্যবসায়ীগণ। বৃহস্পতিবার আমুুুয়াকান্দা বাজারে কাচাঁমাল কিনতে আসা একজন ক্রেতা জানান, এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল জিনিসপত্রের দামের ব্যাপক উর্ধগতি চলছে। তার উপরে এখন কাচাঁমালের দামে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। সংসার চালানোটাই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আরেক ক্রেতা রিক্সা চালক শাওন মিয়া বলেন, তিন দিন রিক্সা চালাইয়া ৯৭০ টেহা কামাই কইরা বাজার-সদাই করতে আইছি। কাচাঁমাল কিইন্যাই সব টেহা শেষ। অহন বাচ্চার ওষুধ ও অন্য জিনিস কিনমো কি দিয়া। আমুয়াকান্দা মধ্য বাজারের কাচামাঁল বিক্রেতা পারভেজ মিয়া জানান, বাজারে কাঁচামালের আমদানি খুবই কম। আমদানি কম হওয়াতেই দাম বেশী। এতে ব্যবসায়ীদের কি করার আছে। আমি সবসময় কম লাভেই কাচাঁমাল বিক্রি করি। এ বিষয়ে ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ তালুকদার জানান, এ বছর অনাবৃষ্টি ও কিছুদিন আগে হঠাৎ ভারী বৃষ্টির কারণে কৃষকদের সবজি বাগানের বেশ ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে
কৃষকগণ সবজি উৎপাদনে তেমন সুবিধা করতে পাচ্ছেন না। সামনে শীতকাল আসছে। আবহাওয়া ও ঋতুর পরিবর্তন ঘটলে আশা করি উৎপাদন বাড়বে।