জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহম্মেদ ভূঞা (পিপিএম) আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ সহ জনসাধারণের সেবায় পুলিশকে আরো আন্তরিক হতে হবে। তারি ধারাবাহিকতায় কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল আকন্দ, (পিপিএম বার) জানান, গত ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় টাউন হলের মোরে ভিআইপি ডিউটি চলাকালীন সময় ট্রাফিক পুলিশের একজন কর্মকর্তার উপর হঠাৎ করে জাহিদ হাসান নামে একজন মাদক জনিত মানসিক রোগী হামলা করে। এতে করে ওই ট্রাফিক কর্মকর্তা আশেপাশে থাকা লোকজনের সহযোগিতায় তাকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ কামাল আকন্দর নিকট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ঘটনাটি অবগত করেন। এবং পুলিশ পাহারায় তাকে কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করেন। অতঃপর অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ কামাল আকন্দ, তার সাথে কথাবার্তা বললে তার আচরণ অস্বাভাবিক মনে হয় বলে মনে করেন। জাহিদের পিতাঃ কবির হোসেন এবং জাহিদের স্ত্রী আরিফা আক্তার সুবর্ণা থানায় হাজির হয়ে জানান, জাহিদকে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ পপুলার ডায়াগনস্টিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। হঠাৎ করে লোক চক্ষুর আড়ালে জাহিদ হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে অন্যত্র চলে যায়। এ সময় তাকে খোঁজাখুঁজি করেও কোথায় না পাওয়া যাওয়ার পর লোকমুখে শুনতে পারেন কর্মরত পুলিশের উপর আক্রমণ করায় তাকে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিক কোতোয়ালী মডেল থানা হাজির হয়ে জাহিদের মাদক জনিত মানসিক অসুস্থতার কথা পুলিশকে অবহিত করেন। কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ কামাল আকন্দর তাৎক্ষণিক মাদক জনিত মানসিক রোগী জাহিদের চিকিৎসার জন্য বিভাগীয় ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত ঠাঁই মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক সোহেল আরমান এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ করেন। এবং ভর্তির পরামর্শ দেন। এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ (পিপিএম বার) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে, তাকে আর্থিক সহযোগিতা সহ ভালো থাকার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি ঠাঁই মাদকাসক্ত নিয়াময় কেন্দ্রের পরিচালক, কাউন্সিলর, ডাক্তার সহ সকল স্টাফ ও ভলেন্টিয়ারদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।