
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন ২ নং কুষ্টিয়া ইউনিয়ন।
ইউনিয়নির ময়মনসিংহ সদর উপজেলা হতে প্রায় ২৫ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমাংশে বিস্তীর্ন অঞ্চল নিয়ে ঘটিত।
ইউনিয়নটির বুক চিড়ে বহমান পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ।
নদের একপাশে বিস্তীর্ন চরাঞ্চল।
এই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কুষ্টিয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ছামছুল হক (কালু)
তিনি ১৯৮৩ সালে ইউ পি সদস্যের দায়িত্ব পালন করার পর বিগত ১৯৯৭ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিগত ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেরের মনোনয়ন পেয়ে ২য় বারের মতো চেয়ারম্যন নির্বাচিত হন।
মোঃ সামছুল হক কালু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত , ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ডাকে আর ঘরে থাকতে পারপননি তিনি যুদ্ধের ট্রেডিং নিতে পাড়ি জমান ভারতের তুরা ট্রেডিং ক্যাম্পে, সেখান থেকে যএসে পরিবার পরিজন ছেড়ে দেশমাতৃকাকে হানাদার মুক্ত করার জন্য ঝাপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে।
তিনি ১১নং সেক্টরের আওতায় কমান্ডার আহাম্মেদ মাষ্টারের দলে শ্রীবর্দী থানা পরুয়া বাজার এলাকায় লিপ্তহন হানাদার বাহিনীর সাথে এক রক্তক্ষয়ী সম্মুখ যুদ্ধে। এছাড়া ময়মনসিংহ, জামালপুরের বিভিন্ন এলাকায় সাহসীকতার সাথে হানাদারদের শক্ত হাতে মোকাবিলা করে দলের কমান্ডারের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
অকুতোভয় এই জাতির সূর্য সন্তান ১৯৫৬ খ্রিঃ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বিদ্যাগঞ্জ গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তার পিতার নাম মৃত হাসেন আলী মন্ডল, মাতা মৃত - খতিজান বেওয়া।
৫ ভাই ২ বোন এবং ২ পুত্রের জনক তিনটি। ১৯ ৯৬ সালে অসুস্থ হলে কন্ঠস্বরে ব্যপক সমস্যা হয় বহু চিকিৎসা করিয়েও এখনো ঠিকমতো কথা বলতে কষ্ট হয় ( কন্ঠস্বর বসেগেছে) এছাড়া ব্রেইন ষ্টোক করে তার বাম পা ও বাম হাত প্রায় অচল। ভুগছেন বার্ধক্য জনিত অনেক সমস্যায়।
তবুও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে একটুকুও অলসতা বা অজুহাত দেখান না তিনি।
প্রায় প্রতিনয়ত সবার আগে ইউনিয়ন পরিষদের কর্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজ সহ নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ইউনিয়নবাসী দের।
সরেজমিনে ঘুরে এলাকার সুশীল সমাজ, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানানায় সামছুল হক কালু চেয়ারম্যান বয়সে প্রবীণ হলেও তিনি তার সততা, ন্যায়নীতি, কর্মদক্ষতা, সরকারী অনুদানের সুসম বন্টন, বয়ষ্ক,বিধবা, পঙ্গু ভাতা সঠিক ভাবে প্রণয়ন, ভি জি ডি, ভি জি এফ কার্ডের তালিকায় স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন।
এছাড়া ইউনিয়নের দীর্ঘ দিনের অবহেলিত রাস্তা- ঘাট নির্মাণ, ৪০ দিনের কর্মসূচি সুচারু ভাবে সম্পাদন, এলাকার মানুষের ছোটো-ছোটো অপরাধের জন্য গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সমাধান দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন। মোঃ সামছুল হক কালু চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বলে তার জীবনের অপূরনীয় ইচ্ছার কথা জানতে চাইলে- তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, শেষনিঃশ্বাস ত্যাগের আগে আমি জাতির জনকের কণ্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে একবার সৌজন্যে সাক্ষাৎ করতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের পর যদি আমি মরেও যাই তবুও আমি শান্তিতে মরতে পারবো।