ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার কুঠুরাকান্দা (পূর্ব পাড়া) গ্রামে গত ১৩ মার্চ বুধবার বিকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে শিশু সহ ২ জনের মৃত্যু ও ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে।
মামলার এজাহার ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানাজায় ১৩ মার্চ আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনা সূত্রে জানাযায় আকস্মিত ভাবে উক্ত গ্রামের কদম আলীর পুত্র হামিদুল ইসলাম (৩২) লাঠি দিয়ে জিলাপি ব্যবসায়ী মুসলেম উদ্দিন( ৬৫)এর মাধা আঘাত করলে নিহত মুসলেম উদ্দিন মাথা ফেটে গুরুতর আহত হন, এসময় তার কোলে থাকা শিশু (নাতির ছেলে) সুলাইমান (০১)মারাত্মক ভাবে আহত হয়।
তাদের বাঁচাতে মুসলেম উদ্দিন এর স্ত্রী ফিরুজা বেগম (৬০) এগিয়ে আসলে তাকেও হামিদুর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারাত্মক জখমের সৃষ্টি করে।
এসময় মুসলেম উদ্দিনের মেয়ে ফরিদা (৪৫) নাতবৌ নূরনেহার( ২৬) নাতীর ছেলে নূরে আলম (৯) (শারীরিক প্রতিবন্ধী) নিহত মুসলেম উদ্দিনের নাতিবউ লিমা খাতুন( ২৮) পড়শী বিমলা খাতন (৫০) হামিদুলের এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দৌত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহতদের মধ্যে মুসলেম উদ্দিন (৬৫) ও শিশু সুলাইমান (০১) এর আবস্থার অবনতি হলে ঐদিনই কর্বব্যরত চিকিৎসক তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধূন অবস্থায় মুসলেম উদ্দিন গত ১৪ মার্চ দিবগত রাত ৩টার দিকে এবং ১৫ মার্চ দুপর ১২ টার দিকে শিশু সুলাইমানের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে ফিরাজা ও নূরে আলমের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তারা এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাদআাকী আহতরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন।
এদিকে ঘটনার পরেই মৃত মুসলেম উদ্দিন এর নাতী সুজন মিয়া বাদী হয়ে হামিদুল ইসলামকে প্রধান করে ৪ জনের নাম উল্লেখ্য করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানয় মামলা দায়ের করলে পুলিশ দন্ড বিধ ১৪৩/৪৪৭/৩২৩;৩২৫/৩০৭/১১৪/৫০৬(২) ধারায় মামলা আমলে নিয়ে ঘরনার দিনই প্রধান আসামী হামিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। বাকী আসামীর হলো হামিদুলের পিতা কদম আলী (৫৫) পিতা মৃত কাশেম আলী, মোছাঃ হামিদা বেগম (৫০) স্বামী কদম আলী, শিরিনা খাতুন (২৬) স্বামী -হামিদুল ইসলাম, সর্ব সাং- অষ্টধার কুঠুরাকান্দা (পূর্বপাড়া) থানা - কোতোয়ালী, জেলা - ময়মনসিংহ।
এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাইন উদ্দিন জানান যেহেতু আহতদের মধ্যে ২জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে সেক্ষেত্রে আসামীদের বিরুদ্ধে দন্ড বিধ ৩০২ ধারায় মামলা সংশোধিত করে রুজু করা হবে।