জামিয়া আরাবিয়া আশরাফুল উলুম বালিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওঃ ওয়াইজ উদ্দিন সাহেবের বিরুদ্ধে বহু অভিযেগ পাওয়া গেছে। ধর্মীয় লেবাসী ওয়াইজ উদ্দিন এর বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই। শিক্ষরা জানিয়েছে, মাদ্রসার আতœসাৎকৃত অর্থ দিয়ে তিনি একটি মহলকে পকেটস্থ করে রেখেছেন। ফলে তার দুর্নীতির তদন্ত পর্যন্ত হয়না। তিনি স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান এক প্রার্থীকে পক্ষে রাখার জন্য নানাসব মিথ্যা প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রকাশ, অডিট প্রতিবেদন গোপন করা নভেম্বর ২০২২ ইং থেকে এপ্রিল ২০২৩ ইং পর্যন্ত ৬ মাসের অডিট প্রতিবেদন গোপন করে গা বাচানোর মত অডিট প্রতিবেদন তৈরী করে তা মিটিংএ পেশ করা হয়ে থাকে। এমন কি মহিলা মাদ্রাসার অডিট প্রতিবেদন একেবারেই উল্লেখ করা হয়না।ছাত্রছাত্রী ভর্তির ফরম বিক্রির টাকা ক্যাশ খাতায় জমা করা হয়না। যা নভেম্বর ২০২২ ইং থেকে এপ্রিল ২০২৩ ইং পর্যন্ত ৬ মাসের মহিলা মাদ্রাসার ৮নং প্রতিবেদনে অডিটকারীগণ উল্লেখ করেছেন যে, "রোজার মাসে মুয়াল্লিম ট্রেনিং এর ভর্তি ফরম বিক্রয়ের টাকা ক্যাশে জমা করা হয় নাই"।অশংখ স্বাক্ষর বিহীন ভুয়া ভাউচার তিনি পেশ করে থাকেন। নভেম্বর ২০২২ ইং থেকে এপ্রিল ২০২৩ ইং পর্যন্ত ৬ মাসের পুরুষ মাদ্রাসার ৬নং প্রতিবেদনে অডিটকারীগণ উল্লেখ করেছেন যে, "স্বাক্ষর বিহীন ভাউচার সমূহ ক্যাশ খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে"।
মাদ্রাসা থেকে ছুটি না নিয়ে কাফেলার হাজীদের কে নিয়ে হজ্ব করে এসে শিক্ষক হাজিরা খাতায় হাজির লিখা। শিক্ষক হাজিরা খাতার ২০২৩ জুন এর ১৯-২২ তারিখ তা প্রমান করবে বলে অভিযোগকারীরা জানান।
মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় দস্তখত করা। তিনি উক্ত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখে চট্টগ্রামে সফরে ছিলেন।
শিক্ষক ও কর্মাচারীদের বেতন ভাতা খাতে টাকা খরচ করাকে জরিমানা মনে করা। যা প্রমানিত হয় তার জামানার বেতন খাতে খরচ দেখে। ২০১৯-২০২০ ইং অর্থ বছরে বেতন খাতে খরচ হয় ৬২.৩৫% ২০২০-২০২১ ইং অর্থ বছরে তা নেমে আসে ৫১.৫০% এ ২০২১-২০২২ ইং অর্থ বছরে খরচ হয় ৫১.৭৫% ২০২২-২০২৩ ইং অর্থ বছরে তা নেমে আসে ৪৫.৪৮% ২০২৩-২০২৪ ইং অর্থ বছরে সম্ভাব্য বাজেটই রাখা হয় ৪১.৫৯% যার প্রমান রয়েছে, উক্ত অর্থ বছরের আয় ব্যয় রিপোর্টে।
মাদ্রাসার অফিসকে হজ্ব কাফেলার অফিস বানিয়ে অফিস খরচ বৃদ্ধি করা। প্রমাণ:- কাফেলার লোকদের অফিসে আনাগুনাই প্রমাণ যার দরুন শিক্ষক পরিষদের মিটিং এর সময়ও মুহতামিম কে নিয়ে ঠিকমত মিটিং করা যায় না বলে সুত্র জানায়।
অফিস খরচের জন্য অনুমোদিত মাসিক ১৫,০০০/-(পনের হাজার) টাকা নিজ ভাতা বাবদ নিয়ে নেওয়া ও খরচের জন্য আলাদা ভাউচার দেওয়া। যা প্রমান করে অফিসে সংরক্ষিত ভাতা ও খরচের পৃথক পৃথক ভাউচার। এসকল ব্যপারে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সাংবাদিকের সাথে কথা বলতে কমিটির নিষেধ আছে।