ময়মনসিংহে উনাইরপাড় এলাকায় লতিফ উরফে লতের বাড়িতে গলিত লাশের পরিচয় সনাক্ত করে মূল আসামী রাজিবকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানার এস আই আনোয়ার হোসেন।গ্রেফতারকৃত আসামী আদালতে খুনের দ্বায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি প্রদান করেছে।
বাদী তার এজারে উল্লেখ করেছেন, মৃত মিনারা খাতুন (৩৫) তার মেয়ে । গত ০৬ বছর পূর্বে আনিছুর রহমান এর সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আমার মেয়ে তাহার স্বামীর সাথে সুখেই সংসার করিয়া আসিতেছিল। তাহার স্বামীর বাড়ী হইতে আসিয়া তার অসুস্থ্য বাবাকে দেখাশোনা করিত। মিনারার বাবা গুরুতর অসুস্থ্য থাকায় মেয়েকে মোবাইল ফোনে সংবাদ দিলে আমার মেয়ে মিনারা খাতুন গত ১৪ জুন তাহার স্বামীর বাড়ী ত্রিশাল বালিপাড়া হইতে সকাল অনুমান ৮টার সময় আমাদের বাড়ীতে আসার কথা বলিয়া বাহির হয়। এর পর তার সন্ধান লেনা।অনেক স্থানে মিনাকে খুজাখুজি করা হয়। একপর্যায়ে ১৬জুন সকাল অনুমান ১০:০০ ঘটিকার সময় লোক মুখে জানিতে পারে যে, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন উইনারপাড় সাকিনস্থ রাজিব (২৫), পিতা-মোঃ লতিফ ওরফে লতে, সাং- উইনারপাড়, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ এর বসত ঘরের ভিতর একটি মেয়ের গলিত মৃত দেহ কোতোয়ালী থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে।
পরে উইনারপাড় সাকিনস্থ রাজিবের বসত বাড়ীতে গিয়া স্থানীয় লোকজনের নিকট শুনিতে পাই যে, কোতোয়ালী থানা পুশিল আমার মেয়ের লাশটি ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেছে। মেয়ের জামাই ও আত্মীয় স্বজনসহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়া মিনার মৃত দেহ সনাক্ত করে।
উল্লেখ্য, মিনারা খাতুনকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য ঘটনাস্থল ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন উইনারপাড় সাকিনস্থ রাজিব এর বসত ঘরের ভিতর লেপ তোশক দিয়া মোড়াইয়া রাখিয়া দরজার তালা বন্ধ করিয়া রাখিয়া ছিলো। এ ব্যপারে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা হলে পুলিশ অফিসার আনোয়ার হোসেন তদন্তের দায়িত্ব পান । তদন্তকালে খুনের ঘটনায় রাজিবকে গ্রেফতার করেন। রাজিব হত্যার দ্বায় স্বীকার করেছে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।