
মা – বাবা ভাইবোন ফেলে আসা, সুবিধা বঞ্চিত মহিলাদের শেষ আশ্রয়স্থল ময়মনসিংহ রমেশসেন রোড যৌনপল্লী আর এ যৌনপল্লীতেই বেশকিছু দিন যাবৎ কিছু লোক সাংবাদিক পরিচয়ে অসহায় নিরিহ যৌনকর্মীদের উপর জুলুম অত্যাচার ও চাঁদাদাবী করে বসবাস কৃত প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের জোরপূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে টেনে হেচরে বাহির করে অহেতুক থানায় সোপর্দ করছে বলে অর্ধশত যৌনকর্মী ঐক্যবদ্ধ ভাবে বেশ কজনের নাম উল্লেখ্য করে গত ২১ এপ্রিল রাতে কোতোয়ালী মডেল থানার স্বনামধন্য মানবিক ওসি মোঃ সফিকুল ইসলাম খানের দ্বারস্থ হয়ে বিচার দাবী করে বাচার তাগিদে মৌখিক অভিযোগে জানিয়েছে ।
অর্ধশত যৌনকর্মীরা সংঘবদ্ধ ভাবে ছেলে মেয়ে নিয়ে বেঁচে থাকার ফরিয়াদ জানিয়ে এবং সাংবাদিক পরিচয়দান কারীদের জুলুম অত্যাচার ও চাঁদা দাবী হয়রানির কবল থেকে পরিত্রান চেয়ে অভিযোগে বলেন তারা কোন প্রকার অভিযোগ বা কোন অভিভাবক ছাড়াই অন্য লোক দেরকে অভিভাবক বানিয়ে জোরপূর্বক মেয়েদের কে টেনে হেচরে বাহির করে থানায় নিয়ে নিজেরাই বাদী হয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করে । তারা বলে আমরা পেটের দায়ে দেহ বিক্রি করে জীবন চালাই ছেলে মেয়ে মানুষ করি ঘর ভাড়া দেই কিন্তু ওরা আমাদের পেটে লাথি মারছে । আমরাও অন্য মানুষের মত বেঁচে থাকতে চাই । এ সময় আনু ও ফরিদা নামক দুই মহিলা আক্ষেপ করে থানা ওসির কাছে অভিযোগে বলেন গত ২১ এপ্রিল রাত ২ টায় তিনজন প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে লাইসেন্স থাকা সত্বেও জোরপূর্বক তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে টেনে হেচরে বাহির করে থানায় নিয়ে আসে । পড়ে যদিও মেয়েরা ছাড়া পায়। এর পূর্বে যৌনপল্লীর নেত্রী লাভলী হোসেনের বিরুদ্ধেও নিজেরা বাদী হয়ে মামলা দিয়েছে বর্তমানে পলাতক । আনু ও ফরিদা নামক দুই মহিলা অর্ধশত মহিলার পক্ষ থেকে থানা ওসির দ্বারস্থ হয়ে আরও বলেছেন আমাদের নামে যদি কোন অভিযোগ থাকে বিচার হবে । কিন্তু তারা কোথাকার সাংবাদিক কবের সাংবাদিক আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করে জুলুম অত্যাচার চালায় আমরা এর বিচার চাই ।