
ময়মনসিংহ জেলার ভূমি অধিগ্রহণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আ.ন.ম উবাইদুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বহু অভিযোগ পাওয়া গেছে। একাধিক সুত্র জানিয়েছে, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার ঘুষ বানিজ্যেও টাকা যায় বড় দরবার র্পযন্ত!
সুত্র জানায়, ময়মনসিংহ ভূমি অধিগ্রহণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত আ.ন.ম উবাইদুল্লাহর আওতায় এলএকেস নং ১০, ১৭, ১৮, মৌজা- ছোট বারআটি, খতিয়ান নং- ১৯১,১৫৩, বি আর এস দাগ-৭২৯, মৌজা- সাধুয়া, খতিয়ান নং- ৫৫৩, ৩২০, দাগ নং- ৮৩৯,৮৪১, অবকাঠামো, গাছপালা, মৎস, পুকুর খনন ও জমি, উপজেলা: গফরগাঁও, জেলা: ময়মনসিংহ। সার্ভেয়ার কর্তৃক বিল প্রস্তুত করার পর বিভিন্ন লোক দিয়া আপত্তি দেওয়ায় এবং উভয় পক্ষের কাছ থেকে টাকা চায়। টাকা না দিলে এওয়ার্ড বইয়ে আপত্তি লিখে রাখে। পরবর্তীতে টাকা দিলেও টালবাহানা করে এবং আপত্তির কাগজ চাইলে আপত্তির কাগজ দেখাতে পারে না। কিন্তু বিল প্রস্তুতকারী বিল প্রস্তুত করার পর গত ২০ র্মাচ সার্ভেয়ার কর্তৃক বিল প্রস্তুত করিয়া অনুমোদনের জন্য ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে ২৫/০৩/২৫ তারিখে আপত্তি দেয়। এহেন অবস্থায় ৪ ধারা, ৭ ধারা ও ৮ ধারা এর ভিতরে কোন আপত্তি নাই। বিল প্রস্তুত করার পূবে আ.ন.ম উবাইদুল্লাহর বিভিন্ন লোক দিয়ে আপত্তি দেওয়ায় সোলায়মান খান ও আসাদুজ্জামান খান রিপন এর কাছে বিভিন্ন কৌশলে ১০,০০০ টাকা নেয় এবং আপত্তীকারীর কাছ থেকেও ১৫,০০০ টাকা নেয় । পরে জানতে পারেন যে সব আপত্তি দিয়েছে তার কোন ভিত্তি নাই। এভাবেই তিনি নিয়মিত বিভিন্ন কেস থেকে লাখ লাখ টাকা ঘুষ নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যপারে উবায়দুল্লাহ জানান, কেউ আপত্তি দিলে তার কিছু করার নেই। তিনি ঘুষ নেননি বলে দাবী করেন।
উল্লেখ্য আজ উবায়দুল্লাহ অভিযোগ দাতাদ্বয়ের কাছে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।