
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে নিয়ে ফের সমালোচনা শুরু হয়েছে। এর আগের অফিসার ইনচার্জ নানা ভাবে এ শহরে সমালোচিত ছিলেন। তবুও সে ছিল মন্দের ভালো। বেশ কয়েকদিন কোতোয়ালী মডেল থানা কর্তৃপক্ষ না থাকার পর পোষ্টিং হয়েছে ভালুকা মডেল থানায় (অপারেশন) দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমান। যোগ দানের পরই তার মায়ের অসুস্থায় ছুটি গেছেন।
গত ১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও ক্রসফায়ারের হুমকির অভিযোগে ২০২৪ সালে মামলা দায়ের করা হয়।তখন এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন সেনবাগ থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান। অথচ সেই মিজানুর রহমানকে বর্তমানে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তিনি সেখান থেকে গতকাল ১৯ মে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় ওসি হিসাবে যোগদান করেছেন।
২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট, রোববার রাতে বিএনপি নেতা নুরনবী বাচ্চু বাদী হয়ে নোয়াখালীর সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৯২, ধারা- ১৪৩/ ৪৪৮/ ৩২৩/ ৩৪২/ ৩৬৫/ ৩৮৬/ ৩৮০/ ১৭০/ ৪২৭/ ৫০৬/ ১১৫ দন্ডবিধি। মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সেনবাগ থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন।
সেনবাগ থানার এসআই আব্দুর রউফ জানান, ২০১৮ সালের ঘটনায় একটি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমি। এই মামলায় আমার থানার সাবেক ওসি মিজানুর রহমান স্যার ১নং আসামী। স্যার এখনো জামিন নেয়নি।
এ বিষয়ে ওসি মিজানুর রহমানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার সরকারি নম্বরে ফোন করলে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম জানান, “স্যার যোগদান করেই ছুটিতে গিয়েছেন।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম এর সরকারী মোবাইল নাম্বারে বারবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এজাহারভুক্ত একজন আসামি কীভাবে পুনরায় থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদে বহাল থাকেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। সাধারন মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।