1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বিদ্যাগঞ্জ ঘাটে ব্রম্মপুত্র নদী ভাসমান লাশের পরিচয় সনাক্ত ২ খুনি গ্রেফতার - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শাওন হত্যায় অধিকতর তদন্তেও ফাসাতে পারেনি আমিনুল হক শামীম ও সাফাকে ময়মনসিংহ মহানগর প্রেসক্লাবে আন্তরিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদের আগে যানজটের চিন্তা, সমাধানে জেলা প্রশাসকের টেবিলে দীর্ঘ বৈঠক মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান -ওয়াহাব আকন্দ এমপি মিঠামইনে উপজেলা চত্বরে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ করলেন এমপি ফজলুর রহমান ময়মনসিংহে ক্লুলেস হত্যা মামলা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ৩ জন গ্রেফতারঃ আলামত উদ্ধার নথিভিত্তিক তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ: তথ্য কমিশনে অভিযোগ,ডিআইজি বরাবর আপিল ময়মনসিংহে কিশোর গ্যাংয়ের আতঙ্কে শহরবাসী ময়মনসিংহে শ্রেষ্ট পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান ময়মনসিংহের গাঙিনাপাড় সড়ক ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলেঃ মাসে ১৫ লাখ টাকা চাদাবাজীর অভিযোগ

বিদ্যাগঞ্জ ঘাটে ব্রম্মপুত্র নদী ভাসমান লাশের পরিচয় সনাক্ত ২ খুনি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোটারঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩১১ বার পড়া হয়েছে
কেরানীগঞ্জে হত্যা করে ময়মনসিংহে লাশ ভাসানোর পর গলিত লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। ঢাকার কেরানীগঞ্জ খুন করে বিদ্যাগঞ্জ ঘাটে ব্রম্মপুত্রের বুকে পেট কেটে ডুবিয়ে দেয় দুই খুনি!
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পরিকল্পিতভাবে খুনের পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহে এনে ব্রম্মপুত্র নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। কোতোয়ালী থানা পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্য বিশ্লেষণের পর অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য।
মামলার এক নম্বর আসামি রায়হান এবং দ্বিতীয় আসামি ইয়াসিন তাদের নিজ বাসায় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভুক্তভোগীকে হত্যা করে। এরপর ঘটনা ধামাচাপা দিতে লাশ গাড়িতে করে বিদ্যাগঞ্জ ঘাট এলাকায় নিয়ে আসে। সেখানে লাশের পেট কেটে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়, যাতে লাশ ভেসে না উঠে এবং পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হয়।
কিন্তু বিধিবাম তাদের সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি।
বিদ্যাগঞ্জ এলাকায় নদীতে ভাসমান লাশ উদ্ধারের পর সদর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি ‘ক্লু-লেস’ হত্যা মামলা রুজু হয়। মামলাটি শুরু থেকেই সংবেদনশীল ও চ্যালেঞ্জিং ছিল।
তদন্ত কাজ পরিচালনা করেন এস আই মাহাবুব এবং সহযোগিতা করেন এ এস আই হুমায়ুন কবির।
সদর সার্কেল অফিসার এবং ওসি মোঃ শিব্বিরুল ইসলাম এর সরাসরি তদারকি ও দিকনির্দেশনায় মামলার তদন্ত প্রতিটি ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়। মিলে লাশের পরিচয়। নিহতের নাম আবু সাইদ।
গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ এবং মাঠ পর্যায়ের অভিযানের মাধ্যমে অবশেষে গ্রেফতার করা হয় আসামি রায়হান ও ইয়াসিনকে।
গ্রেফতারের পর উভয়েই হত্যাকাণ্ড এবং লাশ নদীতে ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনা স্বীকার করেছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD