
ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় মঙ্গলবার দুপুর১২টায় পৌর এলাকায় সিএনজি ষ্টেশন কে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন আহত হয়েছে।আহতরা হলেন পৌর এলাকার শামসুল হোসেনের ছেলে পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার(২৫)দক্ষিনপাড়া গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের ছেলে জুনায়েদ হোসেন(২৫)। আশংকাজনক অবস্থায় জুনায়েদ হোসেন কে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য নেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে সেখানেও তার অবস্থার অবনতি হলে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রত্যক্ষ্যদর্শী ,পুলিশ জানায় দির্ঘদিন যাবৎ সিএনজি ষ্টেশন নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা সমর্থিত পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী ,উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু সমর্থিত জিবিজি সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি আবু সাইদ রুবেল ও তার সমর্থিত লোকজনের সাথে দ্বন্দ চলে আসছে।এরই ধারাবাহিকাতায় মঙ্গলবার পৌর এলাকার মেসার্স সাথী এন্টারপ্রাইজের সামনে পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলীকে সাবেক ভিপি আবু সাইদ রুবেল ও তার সমর্থিত লোকজন হামলা চালিয়ে আহত করে।খবর পেয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান সমর্থিত লোকজন সাবেক ভিপি রবেলের বাড়িতে হামলা চালাতে গেলে গ্রামবাসী ঘেরাও করে তাদের মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। ,গ্রামবাসী প্রতিরোধের মুখে তারা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ঘাটাইল পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী জানান মুল ঘটনা সিএনজি ষ্টেশন নিয়ে। আমরা টাঙ্গাইল থেকে সিএনজি ষ্টেশনের অনুমোদন এনেছি। কিন্তু সেটা তারা মানে না। আমরা দুই বন্ধু বাড়ি যাওয়ার সময় আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এ বিষয়ে সাবেক ভিপি আবু সাইদ রুবেলের ভাবী জানান বাহিরের মারামারি কেনো বাড়িতে এসে হামলা করবে।তাই আমরা গ্রামবাসী প্রতিহত করেছি।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি) মোঃ আজহারুল ইসলাম সরকার পিপিএম সত্যতা স্বীকার করে জানান সিএনজি ষ্টেশন দখল কে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মুল কারণ।