1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
নীলফামারীর ডোমারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২ কিশোরের নামে মামলা - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎ ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪ মুক্তাগাছা থানা পুলিশ কর্তৃক অটোরিক্সা চালক হত্যার ঘাতক গ্রেফতার

নীলফামারীর ডোমারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২ কিশোরের নামে মামলা

স্টাফ রিপোটারঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের নওদাবস এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই মামাতো ভাই ও এক ফুফাতো ভাইয়ের মধ্যে মারামারি হয়। ঘটনাটি ঘটে ৪ অক্টোবর ২০২৫ ইং রোজ: শনিবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় |

জানা যায়, মামাতো ভাই রিয়াদ (১৭) এবং মেহেদী (১৭), দুই চাচাতো ভাই মিলে মাঠে (দোলায়) বক মারার ফান (ফাঁদ) বসাতো? কিন্তু কে বা কারা যেন তাদের ফানে (ফাঁদ) আটক হওয়া বক চুরি করে নিয়ে যায়? তখন তারা অজানা চোরকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করলে, তাদেরই ফুফাতো ভাই খোকন (৪০) ঝামেলা করে এবং তার মামাতো ভাই রিয়াদ (১৭) এবং মেহেদী (১৭) কে নানান প্রকার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে, তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে |

তখন ফুফাতো ভাই খোকন তেড়ে গিয়ে তার ছেলের বয়সী দুই মামাতো ভাইকে প্রচন্ড মারধর করে। খোকন তার মামাতো ভাই রিয়াদের অন্ডকোষ চিপে ধরলে, সে সেখানেই কিছু সময় অচেতন হয়ে বেহুশ অবস্থায় পড়ে থাকে। তখন ফুফাতো ভাই খোকন (৪০) তাকে বেহুশ অবস্থায় ফেলে রেখে বাড়িতে চলে আসে | তারপর কিছু সময় পর তার জ্ঞান ফিরে এলে, চাচাতো মেহেদী (১৭) এর সহযোগিতায় বাড়ী পৌঁছায় |

বাড়িতে পৌঁছানোর পর, তারা দেখে, ফুফাতো ভাইয়ের বাড়ি থেকে ফুফাতো ভাইয়েরা, ফুফা, ফুফু এবং ফুফাতো ভাইয়ের বউয়েরাসহ সকলে মিলে দুই বাড়ীর মাঝামাঝি একটি বাশঝাড়ে, লাঠি-সোটা নিয়ে, তাদেরকে মারার জন্য উষ্কানিমুলক চিল্লা-চিল্লি করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তখন রিয়াদের (১৭) পিতা: আব্দুর রসিদ (৪২) এগিয়ে গিয়ে চিল্লাচিল্লি করতে নিষেধ করলে, খোকনের (৪০) পিতা: আফসার আলী (৬০) তেড়ে এসে তার আপন ছোট শালা আব্দুর রসিদকে মারধর শুরু করে। আব্দুর রসিদের চিল্লাচিল্লি শুনে আব্দুর রসিদের স্ত্রী আনজুয়ারা বেগম (৩৫) এগিয়ে এলে, তাকেও খোকন (৪০) এসে লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে। এই ঘটনা দেখে, রিয়াদ, মেহেদী, মেহেদীর মা এগিয়ে এলে তাদের মধ্যে ব্যাপক মারামারি লেগে যায় |

ততক্ষণে অন্ধকার নেমে এলে, এই মারামারির মধ্যে কে বা কারা এবং কে বা কাকে কম বা বেশি মারধর করেছে সেটা সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শীদের কোন প্রকার মতামত পাওয়া যায়নি |

এলাকাবাসীর কাছে জানা গেছে, মারামারি শেষে তিনজন ব্যক্তিকে একটু বেশিই আঘাত প্রাপ্ত দেখা গিয়েছে এবং তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে | এদের মধ্যে রিয়াদ (১৭) এবং মেহেদী (১৭) ভর্তি হয়েছিল ডোমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (বোড়াগাড়ী) তে, তৃতীয় আহত ব্যক্তি খোকন (৪০) কে ডোমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রেফার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় | জানা গেছে, মেডিকেল থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেয়ার পর উভয় (তিনজন) রোগীই এখন সুস্থ রয়েছে | তবে খোকনের অবস্থা খুব বেশি মারাত্মকভাবে ঝুকিপূর্ণ না হলেও, পরিবারের চাপের কারণে, তাকে রংপুরে রেফার করা হয় বলে জানা গেছে।

উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে, খোকনের মা রাহেনা বেগম (৫৮) বাদী হয়ে ৫ জন তথা, নাবালক রিয়াদ (১৭) ও নাবালক মেহেদী (১৭) সহ রিয়াদের পিতা: আব্দুর রসিদ (৪২) ও মাতা: আনজুয়ারা বেগম (৩৫) এবং মেহেদীর মাতা: মেহেরজান (৪০) কে আসামি করে গত ০৯ অক্টোবর ২০২৫ ইং রোজ: বৃহস্পতিবার নীলফামারী জুডিশিয়াল আদালতে নাবালক দুই কিশোরসহ উক্ত ব্যক্তিদের আসামি করে পেনাল কোড ১৮৬০ এর ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩০৭/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেন |

আদালতের আদেশে নালিশকারীর হলফান্তে জবানবন্দি গ্রহণ করা হলো। তৎসমর্থনে দাখিলি কাগজাদি দেখলাম ও পর্যালোচনা করলাম। সার্বিক পর্যালোচনান্তে নালিশকারীর নালিশে বর্নিত ঘটনার সত্যতা বিষয়ে তদন্ত হওয়া আবশ্যক বিবেচনায় তদন্তপুর্বক প্রতিবেদন দাখিল জন্য পি.বি.আই. রংপুরকে নির্দেশ দেয়া হলো। অদ্যই নালিশকারী পক্ষকে প্রসেস দাখিলের জন্য নির্দেশ দেয়া হলো |

উক্ত মামলাটি এবং ঘটনা সম্পর্কে আসামি পক্ষের কাছে জানতে চাইলে, আসামীপক্ষ জানান, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, সাজানো ও হয়রানিমুলক মামলা করা হয়েছে | আসামি পক্ষের আরও দাবি, আশেপাশে কিছু কুচক্রী লোকজনের প্ররোচনায় এবং উস্কানিতে তাদেরই আপন রক্তের আত্মীয় রাহেনা বেগমকে দিয়ে এই মিথ্যা, হয়রানিমুলক, সাজানো, বানোয়াট মামলাটি করতে বাধ্য করেছে। আসামিদের দাবি, তারা সম্পুর্ণ নির্দোষ। অথচ নিজেদের আত্মীয়তার মাঝে এটা সামান্য ভুল বুঝাবুঝি ছাড়া আর কিছুই নয়।

৪ নং আসামী আনজুয়ারার অভিযোগ, তার ছেলে রিয়াদ (১৭) ও ভাতিজা মেহেদী (১৭) তথা দুজন নাবালককে ১নং ও ২ নং আসামী করে মামলাটি করে, দুটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে নষ্ট করার বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

মামলার ৩ নং আসামি আব্দুর রসিদ বলেন, আমার আপন মায়ের পেটের বোন রাহেনা বেগম, তার ছেলে খোকন আমার আপন ভাগিনা, অথচ সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে, কিছু কুচক্রী মানুষের প্ররোচনায় ও উস্কানিতে তারা আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তার আরও দাবি, আমরা ঘটনার পর থেকেই সকলে মিলে বিষয়টি পারিবারিক ভাবে মিমাংসা করার চেষ্টা করে যাচ্ছি | তবে ঐসব কুচক্রী লোকজনের প্ররোচনায় পড়ে আমার বোন, দুলাভাই রাজি হচ্ছে না | তবে তাদের সম্মতি নিয়ে খুব শীঘ্রই আমরা এই বিষয়টি পারিবারিক ভাবে মিমাংসা করে ফেলব – ইনশাআল্লাহ।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD