1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ময়মনসিংহের গাঙিনাপাড় সড়ক ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলেঃ মাসে ১৫ লাখ টাকা চাদাবাজীর অভিযোগ - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে কিশোর গ্যাংয়ের আতঙ্কে শহরবাসী ময়মনসিংহে শ্রেষ্ট পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান ময়মনসিংহের গাঙিনাপাড় সড়ক ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলেঃ মাসে ১৫ লাখ টাকা চাদাবাজীর অভিযোগ ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতারা ময়মনসিংহে চাঁদাবাজি থেকে সশস্ত্র দৌরাত্ম্য: প্রশাসনিক নীরবতায় প্রশ্ন আইনের শাসন নিয়ে ময়মনসিংহের ফুটপাতেই মাসে হয় পনেরো লাখ টাকার চাঁদাবাজী! ময়মনসিংহ সড়কে মাসে ৮ লাখ টাকা চাঁদাবাজী করে দুকুল বাহিনী! ময়মনসিংহে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন -আবু ওয়াহাব আকন্দ ময়মনসিংহে শীর্ষ চাদাঁবাজের নামে মামলা হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনের উন্নয়নে সকলের সহযোগীতা চাই -সালমান ওমর রুবেল এমপি

ময়মনসিংহের গাঙিনাপাড় সড়ক ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলেঃ মাসে ১৫ লাখ টাকা চাদাবাজীর অভিযোগ

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

 ময়মনসিংহ মহানগরের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকার অধিকাংশ সড়কই হকারদের দখলে চলে গেছে। গাঙিনাপাড় সড়ক এবং চরপাড়াসহ অধিকাংশ অঞ্চলের ফুটপাতসহ সড়কের অর্ধেক জায়গা এখন হকারদের দখলে। এর ফলে যান চলাচল ও পথচারীদের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটছে। সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজটের।

যদিও জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা কমিটির নিয়মিত মাসিক সভার সিদ্ধান্তে ফুটপাতকে হকারমুক্ত রাখার কথা ছিল এবং তা বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসন একাধিকবার হকারদের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করেছিল। অভিযোগ রয়েছে, নগরের এক নম্বর ফাঁড়ির কিছু অসাধু পুলিশের মদদে হকাররা ফের ফুটপাত ও সড়কে দোকান পেতে চুটিয়ে ব্যবসা করছে। আর এর দায় চাপানো হচ্ছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের ওপর। যানজটের ফলে সৃষ্ট ভিড়ের কারণে পকেটমারদের দৌরাত্ম্যও বাড়ছে। এসব বিভিন্ন কারণে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন নগরবাসী।এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ পৌরসভার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘নগরবাসীকে স্বস্তির সঙ্গে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়ার জন্য ফুটপাত ও রাস্তা দখলকারী হকারদের তুলে দিতে পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া আছে।’

সরেজমিন দেখা গেছে, গাঙিনাপাড় সড়ক ও স্টেশন রোডের ফুটপাত ছাড়াও সড়কের দুই পাশের অর্ধেক জায়গা দখল করে হকাররা দোকান পেতে বসেছে। ময়মনসিংহ গাঙিনাপাড় ট্রাফিক মোড় থেকে নগরের স্টেশন রোডের এক নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মিটার প্রধান সড়কের ফুটপাত ও সড়কের দুই পাশে হকারদের দোকান রয়েছে অন্তত তিন শতাধিক। নগরের ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোড, নতুন বাজার ও ট্রাঙ্কপট্টি সড়কেও বসছে হকাররা। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন চরপাড়া মোড় থেকে পলিটেকনিক পর্যন্ত ফুটপাত ছাড়াও সড়ক ও জনপথ বিভাগের চার লেন মহাসড়কের দুই পাশের দুই লেনও হকারদের দখলে চলে গেছে। এর বাইরে সড়কের যে জায়গা অবশিষ্ট থাকছে তাতে একাধিক সারিতে চলাচল করে ইজিবাইক, সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও রিকশা। এর ফলে যাতায়াত ও সড়ক পারাপারে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ। অসহনীয় এ যানজট আর ভিড়ের ভেতর অহরহ ঘটছে পকেটমারের ঘটনা। বাড়ছে ছিনতাই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চরপাড়া এলাকার প্রত্যেক হকারের কাছ থেকে দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা হারে টোল আদায় করছে স্থানীয় দোকানিরা (তিনি পুলিশের ক্যাশিয়ার বলে পরিচিত)। আর নগরের গাঙিনাপাড়, স্টেশন রোড, নতুন বাজার, ট্রাংকপট্টি ও ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোডের হকারদের কাছ থেকে দৈনিক আদায় করা হচ্ছে ২ থেকে আড়াইশো টাকা করে। শুধুগাঙিনাপাড় এলাকা থেকে ফুট পাতে চাঁদাবাজী হয় পনেরো লাখ টাকা।
১নং ফাড়ি ইনচার্জ মাহবুব মিলকীর সাথে যোগাযোগ করা হলে, পনেরো লাখ টাকা মাসে পুলিশের নামে চাদাবাজী হয় তা তিনি জানেন না। তিনি নতুন এসেছেন। তিনি আরো বলেন আমি ফুটপাত বসতে দেইনা। ফুটপাত বসলেই তুলে দেই।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD