
ময়মনসিংহের ফুলপুরে রাস্তায় বাসবাস করা সুফিয়া(২০) নামের অজ্ঞাত পরিচয় সেই কিশোরী পাগলীটি এখন গর্ভবতী। তবে বাবাকে হবে তা এখনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ মে রোজ মঙ্গলবার সকালে অসুস্থ অবস্থায় ঘুরাফেরা ও কান্না করছিল ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারপাশে। এমন অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবীর বিষয়টি জানতে পেয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসা দেন। এ সময় আলট্রাসনোগ্রাফে ধরা পড়ে তার পেটে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এখন সে চলমান ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ৩৬ সপ্তাহ না গেলে সিজার বা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না। তবে গর্ভ অবস্থায় দুটি বাচ্চা ও মাকে সুস্থ রাখার জন্য সকল ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি বলে সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বিকে জানান। সে মানসিক ভারসাম্যহীন এ অবস্থায় তাকে কঠোর নজরদারিতে রাখতে হবে। যেন কোন বড় ধরনের ক্ষতি না হয়ে যায় ।
ভারসাম্যহীন মানসিক পাগলী সুফিয়ার বক্তব্যে একটি কথায় উঠে আসছে বারবার, তার বাড়ি হালুয়াঘাট উপজেলার করিকান্দা গ্রামে। তার মা কিছুদিন আগে তাকে দেখতে এসেছিল। তাকে বাড়ি গেলে মেরে ফেলবে বলে। তিনি আরো বলেন, তার স্বামী বাচ্চা পেটে আসার আগে এসেছিল তার স্বামীর নাম ময়েজ উদ্দিন বলেজানান।
স্থানীয়রা জানান প্রায় এক বছর ধরে ফুলপুরের বিভিন্ন ফুটপাতে তাকে দেখা যায়। তবে বাসম্যহীন মানসিক সুফিয়ার বক্তব্য কতটা সততা রয়েছে তাই এখনো বোঝা যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ তপু রায়হান বলেন, হাসপাতালে ওই পাগলীকে দেখতে গিয়ে দুচোখে পানি ধরে রাখতে পারলাম না। যে আমরা কোথায় বসবাস করছি। মন মানসিকতা এত নিচু। কিছু লম্পট পশু জাতের মানুষেরর কারনে পাগল মানুষ গুলো মাথা উঁচু করে ধারাতে পারে না? পাগল তো অবুজ শিশুদের মত। সবার ঘরেই তো শিশু বা মা আছে। তাহলে কেন শিশুটি বা পাগলটি মা হল ? তিনি আরো বলেন, হায়রে দুনিয়া, ইবলিশ শয়তানের কি লীলা খেলা। মা হয়েছে পাগলী, বাবা হচ্ছে না কেউ ! মানুষের চরিত্র এখন এমন পর্যায়ে চলে গেছে, এতে ভাল মানুষ গুলো মুখ দেখাতে লজ্জা করেছে। দুষ্ট চরিত্রবান মানুষের রুচিবোধ দিনদিন এতো নিচের দিকেই যাচ্ছে। বিগত ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সদরের পাগলী সন্ধ্যায়, তারাকান্দা কাশীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন ব্রীজের উপরে বাস করা ময়না নামের অজ্ঞাত পরিচয় সেই কিশোরী পাগলীটি ১৮ জুন ২০১৯ইং তারিখ বুধবার গভীর রাতে,একই উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের কাকনীকোনা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে গত ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ইং তারিখ রোজ বুধবার রাত দেড়টার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯ইং তারিখ রাত সাড়ে ১১টায় ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার ,আঠারোবাড়ি টু কেন্দুয়া রোডের বাইপাস, সান্দিকোনা, নেত্রকোণা রোডের সংযোগ স্থলে একটি দোকানে সামনে ভারসাম্যহীন পাগলীরা মা হন। এই ৪ মানসিক পাগলীরা সবারি একটিকরে কন্যা সন্তানের জন্মদেন। তবে এবার ফুলপুরে জমজ দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন ভারসাম্যহীন মানসিক পাগলী।