
ফের ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপারের নির্ভুল সিদ্ধান্তের প্রমান দিয়েছে কোতোয়ালী মডেল থানার আওতাধীন ১ নং পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ দেবাশীষ সাহা । কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম (বার) এর দিকনির্দেশনায়, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দিবা রাত্রি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ১ নং ফাঁড়ির ইনচার্জ । কঠুর পরিশ্রমী এই পুলিশ অফিসার শহরের সবচেয়ে বিতর্কিত ফুটপাত সমস্যা, যৌনপল্লীর মদ ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে রাখতে সক্ষম হয়েছেন । কারন এখানে যে পুলিশ অফিসার দায়িত্ব পাকনা কেন নৈতিকতার হেরফের হলেই পুলিশ সমালোচিত হতো।
শহরের ফাড়ি এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল ও বসবাস নিশ্চিন্ত করতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলায় কঠোর অবস্থানে কোতোয়ালী থানাধীন ১ নং পুলিশ ফাঁড়ি সকল পুলিকে আন্তরিক ভাবে কাজ করতে দেখা যায় । ফাড়ি ইনচার্জ সকাল থেকে শেষ রাত পযর্ন্ত স্টেশনেই উপস্থিত থাকেন।
ফলে শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদক প্রতিরোধসহ, সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষার্থে ১ নং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ দেবাশীষ সাহা নির্দেশে এক যুগে সবাই কাজ করে যাচ্ছে।
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ গাঙ্গিনাপার ট্রাফিক মোড়সহ, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে যানজট নিরসনের পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিতে, অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ফুটপাত উচ্ছেদ, মাদক নিয়ন্ত্রন, গ্রেফতার, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল সব কাজেই আন্তরিকতা ও দক্ষার প্রমান রেখে চলেছেন।
যার ফলে গত মে মাসে মাদক মামলা-০৮টি । হেরোইন উদ্ধার-৪৮ গ্রাম । ইয়াবা উদ্ধার ১০০ পিস । নেশার ট্যাপেন্টা ট্যাবলেট- ৪.৬০০ পিস। মাদক মামলায় মোট আসামী গ্রেফতার- ১১ জন।
ওয়ারেন্ট তামিলে,জিআর সাজা ওয়ারেন্ট তামিল-০৪টি, সিআর সাজা ওয়ারেন্ট তামিল-০১টি। জির ওয়ারেন্ট তামিল ০৫ টি, সিআর ওয়ারেন্ট ০৪ টি, সর্ব মোট ওয়ারেন্ট তামিল- ১৪টি।
অন্যান্যভাবে ওয়ারেন্ট খারিজ-জিআর সাজা ও/ডি-০৩টি, জিআর সাজা রিকল-০২টি, মোট সাজা ওয়ারেন্ট খারিজ-০৫টি। ভিকটিম উদ্বার-০৫ জন।
অন্যান্য উদ্ধারঃ- ০৭ টি ল্যাপটপ,০১টি সিপিইউ। চুরি মামলা-১১টি মাবাইল ফোন উদ্ধার। অটোরিকশা উদ্ধার-০৪টি।
প্রসিকিউশন-১২টি। নন এফ আই আরপ্রশিকিউশনে আসামী চালান১০জন । দস্যুতা মামলা-০৩টি, ০৫ টি চাকু উদ্ধার, আসামী-০৭ জন।
অন্যান্য মালায় আসামী চালান-৪৩ জন । সর্ব মোট আসামী চালান-৮৫ জন।