
গত ৩০বছরে ফুলবাড়ীয়ার কোন উন্নয়ন হয়নি। এখানকার মানুষ অন্ধকার যুগে আছে।আশেপাশের এলাকায় গ্যাস সংযোগ থাকলেও ফুলবাড়ীয়ায় গ্যাস নেই। শিল্প কারখানা নেই। সড়ক নেই।শুধু নেই নেই এরমাঝে আমরা সমস্ত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। পুরাতন
ফুলবাড়ীয়া ডিগ্রী কলেজ সরকারী করনের দাবীতে শিক্ষক সহ দুজনের প্রান গেল,তারপরও ক্ষমতাসীনদের লাজলজ্জা নেই। সবাই পরিবর্তন চায়। কিন্তু সেই পরিবর্তনের জন্য সামনের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যাকে দিয়ে এলাকার উন্নয়ন হবে,তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে।
গত শুক্রবার বাকতা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জাতীয় পার্টি আয়োজিত কর্মী সমাবেশ ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৪থ মুত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে
দোয়া মাহফিলে উপ জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের উপদেষ্টা ডা: কে আর ইসলাম একথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন,বাক্তা ইউনিয়ন জাপার সভাপতি নায়েব আলী আকন্দ।
ডা: কে আর ইসলাম আরো বলেন, সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি এরশাদ ইসলামকে রাষ্ট্র ধর্ম,শুক্রবার সরকারি
ছুটি,উপজেলা পদ্ধতি চালু,ঔষধ নীতি প্রনয়ন,মন্দির মসজিদে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা,গ্রামীন অবকাঠামো নির্মান,প্রশাসনিক শৃঙ্খলা আনয়ন সহ নানা উন্নয়ন করেছেন। দুর্ভাগ্য আজ সর্বত্র অনিয়ম,দুর্নীতি ছেয়ে গেছে।
তিনি আরো বলেন, আমি যদি নির্বাচিত হই,তবে ফুলবাড়ীয়া ডিগ্রি কলেজ সরকারী করন,প্রধান সড়ক থেকে বাসস্ট্যান্ড অন্যত্র স্থানান্তর,
ফুলবাড়ীয়ার বিভিন্ন স্কুল কলেজ এমপিও ভুক্ত করন,প্রধান সড়ক উন্নয়ন, এলাকায় গ্যাস সংযোগ চালু,কোল্ড স্টোরেজ চালু, একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মান,গ্রামীন খেলাধুলার প্রচার ও প্রসার, ইপিজেড স্থাপন করে বেকার সমস্যার সমাধান, ভেটেনারী হাসপাতাল স্থাপন,শিল্প কারখানা স্থাপন,ফিসারী ও পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়ন ও বিভিন্ন শিল্প কারখানা স্থাপন করে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবো।
হারুন আকন্দ বলেন বাক্তাবাসীকে আজ এক হতে হবে।তাহলেই সারা ফুলবাড়ীয়ায় ডা: কে আর ইসলামের জয়জয়াকার হবে। তিনি আরো বলেন, ডা: কে আর ইসলামই একটি
মার্কা।আপনারা ঘরে ঘরে পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দিন।
ইমরুল কায়েশ উজ্জ্বল বলেন,এখন
ঘরে থাকলে খুন,বের হলে হতে হয় গুম। এক ভয়ানক অবস্থায় আছি। বাজারে নিয়ন্ত্রণ নেই।সরকার সব ক্ষেত্রে ব্যার্থ হয়েছে।
ইব্রাহিম খলিল মুক্তা বলেন,বিনা ভোটের সরকার লুটপাটে ব্যাস্ত।
মঞ্জুরুল হক মামুন বলেন, ফুলবাড়ীয়ার রাজনৈতিক অঁঙ্গন দৃর্নীতিগ্রস্থ। এদের বিরুদ্ধে সবার এক জোট হয়ে মাঠে নামতে হবে।
হাজী বাবুল বলেন,আগামী নির্বাচনে ডাক্তার সাহেবকে নির্বাচিত করে ফুলবাড়ীয়াকে দুর্নীতি মুক্ত করা হবে।
মীর্জা ফজলুল হক বলেন,একটি পরিবারের জন্য ফুলবাড়ীয়া ধ্বংস হয়ে গেছে। পরিবারের সবাই এখন এমপি হতে চায়।এদের জন্য লজ্জায়
মুখ দেখানো যায়না। পিয়ন দারোয়ান,আয়া পদে ১০/১২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
সজিবুল হাসান সোহেলের পরিচালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ঁখোরশেদ মেম্বার, হাসান সরকার। দোয়া পরিচালনা করেন,
হাফেজ মোহাম্মদ রাকিব।
সভাস্থলে বাক্তার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বাদ্য বাজনা সহ শত শতমিছিল সভাস্থলে উপস্থিত হয়।