1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
১০৩ দিনে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ৬ কোটি টাকা - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎ ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

১০৩ দিনে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ৬ কোটি টাকা

স্টাফ রিপোর্টার ::
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৮টি দানবাক্স থেকে এবার পাওয়া যায় ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা। যা এই পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড পরিমাণ টাকা পাওয়া যায়। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এবার এই টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন দেশের বিপুল সংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনা রূপা। শনিবার (১৯ আগষ্ট) সকালে ১০৩ দিন পর মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলা হয়। প্রথমে টাকা গুলো ২৩টি বস্তায় ভরে নেওয়া হয় গণনার জন্য। পাগলা মসজিদের শিক্ষক ছাত্র ও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ মোট ২০০জন দিনভর টাকা গণনার কাজে অংশ নেন। গণনা শেষে শনিবার রাতে টাকার পরিমাণ জানা যায়। এর আগে গত ৬ মে এই দানবাক্সগুলো থেকে পাওয়া গিয়েছিল ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা।

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে পাগলা মসজিদ অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান। শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মাত্র ১০ শতাংশ ভূমির ওপর এই মসজিদটি গড়ে উঠেছিল। সময়ের বিবর্তনে আজ এ মসজিদের পরিধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে এর খ্যাতি ও ঐতিহাসিক মূল্যও। মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি অত্যাধুনিক ধর্মীয় কমপ্লেক্স এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রসারিত হয়েছে মূল মসজিদ ভবন। দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থ সাহায্য করা হয়।

জনশ্রুতি রয়েছে, কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের নামে মানত করলে মনের আশা পূরণ হয়। এই বিশ্বাস থেকেই এই মসজিদে মানুষজন দান করে থাকে। মুসলমানের পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বী সহ নানান শ্রেণী পেশার মানুষ মানত হিসেবে এই মসজিদে দান করে থাকেন। টাকা পয়সা, বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা রূপা সহ গবাদি পশু ছাগল হাঁস মুরগি, কবুতর এবং কি বিভিন্ন ফলমূল মানত হিসেবে দান করেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD