
ব্যবসা হিসেবে তিনি বিয়েকে বেছে নিয়েছেন। দেন মোহরের টাকা কিংবা বিয়ের ফাঁদে ফেলে ,নারী নির্যাতন মামলার ভয় দেখিয়ে টাকাও কম কামাই করেননি। এ সকল ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন তার প্রথম স্বামী। কতজনকে এই মীনা ফাসিয়েছেন তার পরিসংখান কারো কাছে নেই। তবে প্রথম স্বামীকে তালাক নাদিয়ে একাধিক বিয়ে করা, একাধিক মামলা করা এবং বহুলোককে ফাসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার বহু ঘটনা রয়েছে। এতোক্ষন যার কথা বলা হয়েছে তিনি হলেন, নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার, জারিয়া পূর্বপাড়া মৃত সাইফুল ইসলামের মেয়ে মীনা (৩২)।
তার দায়ের করা ভালুকা থানার নারী নির্যাতন মামলা মিথ্যা হওয়ায় চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিলসহ তার বিরুদ্ধে ১৭ ধারায় ব্যবস্হা গ্রহনের আবেদন জানিয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।যার মামলা নং ২(৮)২০২২ । মীনা বিভিন্ন মানুষকে টিকটকে ভিডিও ছেড়ে আকৃষ্ট কওে বিয়ে করে থাকেন। নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার, জারিয়া পূর্বপাড়া মৃত সাইফুল ইসলামের মেয়ে মীনা নিজ গ্রামেই ছিলো বেপরোয়া। তার প্রথম বিয়ে হয় একই গ্রামের তৈয়ব আলীর সাথে। সে ঘরে তার সন্তান রয়েছে। স্বামীকে তালাক নাদিয়ে ময়মনসিংহের শম্ভুগজ্ঞ এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র জামান ড্রাইভারকে বিয়ে করেন। স্বামীর সাথে কয়েক রাত যাপন করেই চলে যান ভালুকা। স্বামী ভালুকা না যাওয়ায় তার নামে মামলা ঠুকে দেয়। মামলা আপোষ করবে বলে তার কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকাও নিয়েছে। তার পরও আপোষ করেনি। জামান এখন আতœগোপনে আছে। এর পরে ফেনির ফতেপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের পুত্র নবী হোসেনর সাথে তার সম্পর্ক হয়। বিয়ে হয়েছে বলে প্রচার আছে।
তা নিয়ে রয়েছে অনেক গল্প কাহিনী। ভালুকার মামুন নামের একজন তাকে বিয়ে করেছে বলে প্রচার আছে। মীনা তার স্বামী জামানের নামে মামলা করে ভালুকা চলে যান। একাধিক বাসা বদলের পর, সেখানে সে স,মিল ব্যবসায়ী আমির হোসেনের শেলটারে থাকতে থাকেন। শুরু হয় তার তেপান্তরে আসা যাওয়া। মীনা কোন কাজকর্ম নাকরেও বাসায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা ভাড়ায় বিলাস বহুল জীবন যাপন করেন। জনৈক আকরাম চেয়াম্যনের সাথেও মীনার দহরম মহরম খাতির রয়েছে। কতিথ স,মিল ব্যবসায়ী আমির হোসেন মীনাকে শেলটার দেয় বলে প্রচার রয়েছে।মীনা থাকে বর্তমানে ছালাম ভেন্ডারের বাসায়। মীনার কাছে কোন পুরুষের আসা যাওয়া যেন সালাম ভেন্ডারের সহ্য হয়না। তারপর পরও মীনা আত্নীয় স্বজনের অজুহাতে বাসা থেকে বেড়িয়ে যান। মাঝে মাঝে রাতে বাসায় না থাকায় এলাকায় ব্যপক সমালোচনা চলছে এখনো। এর আগে আবু হানিফের বাসায় মীনা ভাড়া থাকা সময়ে বিভিন্ন লোকজন আসা যাওয়ায় তিনি বিতর্কের মূখোমুখি হন। মীনা এলাকায় একজন প্রতারক ও দেহ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পায়। নরম মাংস লোভী অনেকেই তার পক্ষ নিয়ে আমির হোসেন ধনুর সহযোগিতায় সালাম ভেন্ডারের বাড়ি ভাড়া নিয়ে দেন। এখানেও বাড়ির মালিককে নিয়ে চাপাগুঞ্জন চলছে। মীনার আরেক স্বামী হাবিবের বিরুদ্ধে মীনার দায়ের করা নারী নির্যাতন মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমানিত না হওয়ায় চুড়ান্ত রিপোর্ট দিয়েছে। মামলা নং ২(৮)২০২২। মীনা মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ কোন সত্যতা নাপেয়ে চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে ১৭ ধারায় বাদির বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নেয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করেন।