
ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানা এলাকার ৩ নং তারাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনিরের দূর্নীতির আর শেষ নেই। স্থানীয় মন্ত্রী গ্রুফকে সমর্থন করায় কোন অপরাধকে যেন আমলেই নেয়না স্থানীয় প্রশাসন। গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী থাকার পরও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনা। পুলিশ যেন মনি বাহিনীর মতই নেক নজরে দেখে চেয়ারম্যনকে। মনি বাহিনীর অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকার পর যেমন পুলিশ তাদের দেখলে শরম পায়, দ্বারে কাছে যায়না এমন কথাই জানায় স্থানীয় লোকজন। যেমন আসাদকে মারধর ও টাকা ছিনতাই মামলার আসামীকে জনগন ধরে দেয়ার পরও ছেড়ে দিয়েছিল পুলিশ। তেমনি চেয়ারম্যনকে গ্রেফতারে তেমন ভুমিকায় পুলিশ রাখছেনা বলে জানা গেছে। মুক্তাগাছা থানায় বহু গ্রেফতারী পরোয়ানা প্যান্ডিং রয়েছে। মাসের পর মাস তা তামিল করছেনা। গ্রেফতারী পরোয়ানা মাথায় নিয়ে অনেকে জানিয়েছে তারা মাসে মাসে পুলিশকে ২ হাজার টাকা দিয়ে গ্রেফতার এড়াচ্ছে। এব্যাপারে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচাজ আব্দুল মজিদ জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে থানায় কোন গ্রেফতারী পরোয়ানা নাই। তিনি থানায় দুটি মামলার রিকল জমা দিয়েছেন।
মুক্তাগাছা উপজেলার ৩নং তারাটি ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনিরের নামে বেশ কয়েকটি এন,আই,এক্ট এর মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২টি মামলার রায় হয়েছে। একটি মামলার রায় হয়েছে ২৩আগষ্ট। বিচারক মহোদয় ১ বছরের জেল ও জরিমানা সহ ১৫ লক্ষ ১০হাজার টাকা রায় দেন। সাথে ৩০ দিনের সময় দেন আপিল করার জন্য। আপিলের সময় শেষ হয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর। ইসুকৃত গ্রেফতারী পরোয়ানা এখনো থানা পর্যন্ত পৌছায়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে মনির চেয়ারম্যান আপিল করে নাই। এ কারণে মনিরুজ্জামান মনির চেয়ারম্যান এর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। তবে এখনো তিনি গ্রেফতার হননি। ফলে সে বীরদর্পে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। যদি থানা গ্রেফতারী পরোয়ানা পেয়ে গ্রেফতার করার চেষ্টা করেন, তাহলে মনির চেয়ারম্যান মুক্তাগাছা বা তারাটি ইউনিয়ন এ মুক্ত ভাবে চলাফেরা করতে পারতেন না। আর একটি মামলায় রায় হয়েছে কিন্তু তার আপিলের সময় চলমান। অভিযোগ রয়েরেছ, মনির চেয়ারম্যান এর ইটের ভাটায় প্রায় প্রতি রাতে চলে মদ, জুয়া, অসামাজিক কর্মকান্ড। এতে প্রশাসন এর কোন পদক্ষেপ নাই। এ আসরেও অংশ নেয় মনি বাহিনী, যাদের নামে রয়েছে গ্রেফতারী পরোয়ানা। পুলিশ এখান থেকে নিয়মিত মাসোহারা নেয় বলে একাধিক সুত্র জানায়। উল্লেখ্য, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী মনির চেয়ারম্যানকে ছেলে হিসেবে মানেন আর মনির চেয়ারম্যান সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীকে আব্বা বলে ডাকেন বলে এলাকায় প্রচার আছে। এজন্যই কি মুক্তাগাছা থানার পুলিশ তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়নি ? মনির চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করার জন্য এলাকাবাসী জোর দাবী জানিয়েছে । মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচাজ আব্দুল মজিদ বলেছেন গ্রেফতারী পরোয়ানা পেলে তাকে গ্রেফতার করা হরে। এরকম আরও অনেক চেক মামলার আসামী এই মনির চেয়ারম্যান। যে গুলো বিচারাধীন রয়েছে। মোবাইল ফোনে চেয়ারম্যানের সাখে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি।