
ময়মনসিংহ সদরের দাপুনিয়া বাজারস্থ আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে চুরির ঘটনায় আলোচনাকালে গত ৯/১০/২৩ তারিখে মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ভাটি দাপুনিয়া মন্ডলবাড়ির মোঃ জহিরুল ইসলামের উপর হামলার ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়েরকতৃ মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মামলার ২ নং আসামী একেএম কামাল খান সাংবাদিক সম্মেলন করায় মামলার বাদি জহিরুল ইসলাম সাংবাদিক সম্মেলনের প্রতিবাদ করেছেন। এ নিয়ে গত ১৭ অক্টোবর ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত দৈনিক জাহানসহ একাধিক প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় দাপুনিয়া বাজারে সন্ত্রাসীদের তান্ডবের অভিযোগ সম্বলিত সংবাদ প্রকাশিত হয়। তিনি এ সব সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন। প্রতিবাদে তিনি দাবি করেন, দাপুনিয়া বাজারস্থ আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে গত ১৫/৯/২৩ তারিখে চুরির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গত ৯/১০/২৩ তারিখে নিজেরা আলাপ-আলোচনাকালে মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে কতক লোকজন পুর্ব শক্রতার জের ধরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ডুকে তাদের (জহিরুল ইসলামদের) উপর হামলা, মারধর ও লুটপাট করে। এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা নং ৩২(১০)২৩ দায়ের হয়। জহিরুল ইসলাম আরো দাবি করেন, এ মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মামলার ২ নং আসামী একেএম কামাল খান গত ১৬/১০/২৩ তারিখে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে একেএম কামাল খান মামলার বাদি জহিরুল ইসলামকে সন্ত্রাসী জবরদখলকারী আখ্যা দেন। মুলত জহিরুল ইসলাম দাপুনিয়া বাজারে কতক জমি দোকান ঘরসহ জমির মালিক ওমর ফারুক ও সাইদ আলমগীরের কাছ থেকে ক্রয় করে বায়নানামা দলিল ভোগদখলে রয়েছেন। উল্লেখিত দোকান ঘরটি জবর দখলের উদ্দেশ্যে মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে হামলা ও ভাংচুর করেন। এ ঘটনায় মামলা নং ৩২(১০)২৩ হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বাদি জহিরুল ইসলামকে সন্ত্রাসী এবং তান্ডবকারী আখ্যা দিয়ে কোতোয়ালী পুলিশকেও দোষারুপ করছেন। তিনি এ সাংবাদিক সম্মেলন ও সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
মোঃ জহিরুল ইসলাম
পিতার মৃত নুরুল ইসলাম
সাং-ভাটি দাপুনিয়া
সদর, ময়মনসিংহ।