
তার সহযোগী হিসেবে রয়েছেন তার ছেলে আব্দুল জলিল পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী
(বয়স-২৬/ তিনিও বাবার পথ অনুসরণ করে বই পড়ে ডাক্তারি সেবা প্রদান করছেন।তার আরেকজন সহযোগী হিসেবে রয়েছে একই এলাকার মৃত শাহ আলীর ছেলে মোহাম্মদ হিরামিয়া।
এ ব্যাপারে ডাক্তার মোজাফফর এর সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি ৮ ম শ্রেনী পর্যন্ত পড়েছেন।তার গুরু মৃত আঃ জব্বার এর কাছ থেকেই তিনি এই শিক্ষা নিয়েছেন। বাকীটা বই পড়ে কাজ চালাচ্ছেন।তার এই পেশায় ৭/৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার কোনো ডাক্তারি সার্টিফিকেট কিংবা কোনো কোর্স ও করা নেই।
তার ছেলের ব্যাপারে জানান, তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী, তার সহযোগী হিসেবে রোগী দেখছেন। তিনিও বইপড়ে এই পেশায় কাজ করছেন।
এ ব্যাপারে তার ছেলের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি এড়িয়ে গেছেন।এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘ দিন যাবত তিনি মানুষকে এভাবে চিকিৎসা করেন ।কিন্তু তার কোনো সার্টিফিকেট নেই।তিনি বিভিন্ন ঔষুধ সহ এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি ও নানা রোগীর চিকিৎসা প্রদান করেন।এতে কেউ সুস্থ হলে হয় নয়তো আবার মৃত্যু স্বরনাপন্ন হতে হয়।
এলাকাবাসী আরও জানান,বিভিন্ন ভ্যানগাড়ী চালক ও ফার্মেসি ওয়ালারা দালাল হিসেবে কাজ করেন তার সাথে। রোগীর খোজ পেলে তাকে জানায়,বা রোগীদের পাঠানোর জন্য বকশিস ও পান ভ্যানচালক ও ফার্মেসির লোকেরা। তিনি আগে বাজারে কাঁচা তরাকারির ব্যবসা করতেন।
অত্র এলাকাবাসী একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক না।
তিনি জানায় যে, আমি নিজেই তার কাছে থেকে সেবা নিয়েছি, তিন থেকে চারশত (৩০০/৪০০) টাকার ঔষধ আমাকে দিয়েছে। আমার কোন লাভ হয়নি চিকিৎসা নিয়ে।
আমি এরকম চিকিৎসকের শাস্তি দাবী করছি। এবং জেলা সিভিল সার্জন ও প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী।