
নুরুল আমীন ময়মনসিংহ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর “ক”সার্কেলের পরিদর্শক হুমায়ুন কবিরের তথাকথিত প্রশ্নবিদ্ধ মামলায় সুস্থ্য জীবনে ফিরে আসা অনেকেই মিথ্যা মামলাসহ নানা ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে। অনেকে আদালতে হাজিরা দিয়ে,ফিরে এসেই দেখে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রনের পরিদর্শক তাকে পালিয়ে যাওয়ার আসামী করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পরিদর্শক কবির ও রাজু নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে থাকে। তার মধ্যে নুরেছা, রাহেলা, রুমা, সুবর্না, হামে, পারুল,রিতা, নুরল, উল্লেখযোগ্য। পরিদর্শকের পক্ষে কং রাজু “ক” সার্কেল এ্যরিয়া থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা মাসোয়ারা আদায় করেন। তাদের একাধিক নাম্বার থাকা তারা বিকাশের মাধ্যমে মাসোহারার টাকা নিয়ে থাকে বলে অভিযোগ।
মাদকের সেন্ডিকেটে লেংড়া করিম হলো তাদের মূল হাতিয়ার। সে ময়মনসিংহ শহরের মাসোয়- রার টাকা ফিটিং করে দেন। আর কোন মাদক ব্যবসায়ী বা মাদক বিক্রি ছেড়ে সুস্থ জীবনে ফিরে,মাসে মাসে টাকা নাদিলেই মাদকসহ আসামী ধরে তাদেরকে দিয়ে গাওয়া আসামী করে হয়রানি করেন।
এমনও দেখা যায় আদালতে হাজিরায় উপস্থিত, তিনি মামলায় পলাতক আসামী হয়ে আছেন। মাদকের পরিদর্শক নিজেই বিভিন্ন মহি-লার শরিল তল্লাসীর নামে নাজেহাল করার অভিযোগ রয়েছে। মাদক সেবীকে দৌড়াইয়া ধরে কোন কিছু নাপেয়ে ৪ গ্রাম হেরোইন দেখিয়ে মামলা ঠুকে দিয়েছেন। আলামত জব্দের সিজার লিস্টের স্বাক্ষী জানান, মালামাল কিছুই দেখায়নি আথচ স্বাক্ষর নিয়েছেন! আমি নাকি হেরোইন জব্দ দেখেছি।
সুত্র জানায়, কোতোয়ালী থানার মামলা নং- ৮ (৬)২০২৪, এর আসামী নুরুলকে কেওয়াট খালী বাজার আসকর আলীর দোকান থেকে পরিদর্শক ও তার মাসোহারা আদায়ের দক্ষিন হস্ত রাজু, নুরলকে ধরে টেনে হেছড়ে নিয়ে যায়। নুরল প্রতিবাদ করে কেন ধরছেন? পরিদর্শক বলে, তোর পিসিবিআর ভালোনা, তুই মাদক ব্যবসা করোস! পরে তাকে বাইপাস মোড়ে পিও দেখিয়ে একটি মামলা রুজু করেন। তাতে ৪ গ্রাম হেরোইন দেখানো হয়েছে। আর আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়া রেহেনাকে দেখানো হয়েছে পলালক আসামী।
এভাবেই তারা দিনের পর দিন এক একটি সফলতার মামলা ঠুকছেন! ময়মনসিংহ শহরে তালিকা ভুক্ত শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। নতুন নতুন গজিয়েছে আরো অর্ধশত ব্যক্তি। এদের অনেকের সাথে রয়েছে রাজু ও পরিদর্শকের দহরম মহরম খাতির মাসোহারা নাপেলেই অভিযান। সৃষ্টি করে সফলতার মামলা। কৃষ্টপুরে রুনু, হাট বসায় মাদকের, ভৈরব রেল গেইটের সুবর্না ডাকঢোল পিটিয়ে মাদক ব্যবসা করে। রহমত পুরের রাহেলা প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে। জামতলার রুনা, চরপাড়ার মল্লিকা, পোরহিত পাড়ার অনেকে মাদক ব্যবসা করেন। তাদের কাছে যায়না এই পরিদর্শকের টিম। যারা সুস্থ জীবনে ফিরে আসছে তাদের উপর চরে বসেন, দেন কাল্পনিক মামলা।তিনি বলেন, তাদের পিসিবিআর ভালোনা!