
ময়মনসিংহে উনাইরপাড় এলাকায় লতিফ উরফে লতের বাড়িতে গলিত লাশের পরিচয় সনাক্ত করে মূল আসামী রাজিবকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানার এস আই আনোয়ার হোসেন। গ্রেফতারকৃত আসামী আদালতে খুনের দ্বায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি প্রদান করেছে। অপর দিকে চর নিলক্ষীয়া উজানপাড়া গন ধর্ষনের শিকার হওয়ার পর, খুন করে লাশ ঘুমের চেস্টার অজ্ঞাতনামা ৩ জনকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করেছেন এস আই দেবাশীষ সাহা। তারা খুনের দ্বায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।
ঘটনার বিবরনে প্রকাশ, গত খিুন হওয়া মিনারার ০৬ বছর পূর্বে আনিছুর রহমান এর সাথে বিয়ে হয়। তাহার স্বামীর বাড়ী হইতে আসিয়া তার অসুস্থ্য বাবাকে দেখাশোনা করিত। মিনারার বাবা গুরুতর অসুস্থ্য থাকায় মেয়েকে মোবাইল ফোনে সংবাদ দিলে মিনারা খাতুন, গত ১৪ জুন তাহার স্বামীর বাড়ী ত্রিশাল বালিপাড়া হইতে সকাল অনুমান ৮টার সময় আমাদের বাড়ীতে আসার কথা বলিয়া বাহির হয়। এর পর তার সন্ধান মিলেনা।অনেক স্থানে মিনাকে খুজাখুজি করা হয়। একপর্যায়ে ১৬ জুন সকাল অনুমান ১০:০০ ঘটিকার সময় লোক মুখে জানিতে পারে যে, ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন উইনারপাড় সাকিনস্থ রাজিব (২৫), পিতা-মোঃ লতিফ ওরফে লতে, সাং- উইনারপাড়, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ এর বসত ঘরের ভিতর একটি মেয়ের গলিত মৃত দেহ কোতোয়ালী থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেছে। মেয়ের জামাই ও আত্মীয় স্বজনসহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়া মিনার মৃত দেহ সনাক্ত করে।

উল্লেখ্য, মিনারা খাতুনকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য ঘটনাস্থল ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন উইনারপাড় সাকিনস্থ রাজিব এর বসত ঘরের ভিতর লেপ তোশক দিয়া মোড়াইয়া রাখিয়া দরজার তালা বন্ধ করিয়া রাখিয়া ছিলো।
এ ব্যপারে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা হলে পুলিশ অফিসার আনোয়ার হোসেন তদন্তের দায়িত্ব পান । তদন্তকালে খুনের ঘটনায় রাজিবকে গ্রেফতার করেন। রাজিব হত্যার দ্বায় স্বীকার করেছে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানাধীন চর নিলক্ষীয়া উজানপাড়া তরুনী গনধর্ষন এর পরে হত্যায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই দেবাশীষ সাহা। মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে আসামীদের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

গত ১৪ জুন সকাল অনুমান ০৮:০০ ঘটিকার সময় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর নিলক্ষীয়া উজানপাড়া সাকিনস্থ জনৈক রতন চেয়ারম্যানের শুকনা পুকুরের পশ্চিম পাশে গর্তের মাঝে অর্ধেক শরীর মাটি চাপা অবস্থায় রাজিয়া খাতুন (৩০) এর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। উক্ত ঘটনায় মৃত রাজিয়া খাতুন (৩০) (মানসিক রোগী), মাতা বাদী হইয়া অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।
পুলিশ জানায় মামলাটি তদন্ত কালে জানা যায় যে, আসামী মোঃ আল আমিন (২৫), রুহুল আমিন (২৬) ও আব্দুল্লাহ ওরফে জাকিরুল (১৯) গত ১২ জুন রাত অনুমান ০৯:০০ ঘটিকার সময় মৃত রাজিয়া খাতুন (৩০)কে চর নিলক্ষীয়া উজানপাড়া মাজার হইতে ডেকে নিয়ে মাজারে পাশে থাকা জনৈক রতন চেয়ারম্যানের শুকনা পুকুরের কাচারে নিয়া যায়। প্রথমে আসামী রুহুল আমিন এবং আব্দুল্লাহ ওরফে জাকিরুল ভিকটিম রাজিয়া খাতুনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে বৃষ্টি আসায় তাহারা দুইজন মেয়েটিকে আসামী মোঃ আল আমিন এর সাথে মাজারে রেখে চলে যায়।