মুক্তাগাছায় ৬৩ নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫/৭ শো জনের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছেন শহীদুল ইসলাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয় সন্ত্রাসীদের গড ফাদার বলে খ্যাত খালিদ বাবুকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
বাদী তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, সারা বাংলাদেশে বৈশ্বয়িক ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে প্রতিহত করার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর হিসাবে আসামী কে এম খালিদ (বাবু) (৫৫), মোঃ বিলাল হোসেন
সরকার (৫৮), মাহবুবুল আলম মনি (৪৫), এমদাদুল হক ইদু (৬০), এমদাদুল হক জদু (৫৮), মোঃ আরব আলী (৫৫), মোঃ শফিকুল আলম সরকার (৫০), মোঃ মাসুদুজ্জামান মাসুদ (৩২), মোঃ আনোয়ার হোসেন আনার (৩৮), শফিকুল ইসলাম (৪০), মোঃ ফরহাদ হোসেন (৪০), জয়নাল আবেদীন রোবেল (৪৫), রবিন সরকার (৩২), জামান (৪০), ফাহিম সরকার (২৮), শুভ দে (৩০), বাবু (৩৫), আলম মীর্জা (৪০), ওমর ফারুক (৪০), ফরহাদ (৪০), শরীফ (২৮), জাহাঙ্গীর কমিশনার (৪৫), মানিক (৪২), বাবুল ঠাকুর (৫০), আব্দুল হাই ড্রাইভার (৫৫), মোঃ ময়না মিয়া (৪৫), মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ (৫০), ছাইফুল ইসলাম (টেরু ছাইফুল) (৪৫), আসাতুষ দে (৫৫), মোঃ আয়ুব খাঁন (৫৮), শরিফ আহমেদ (৪৫), রফিকুল ইসলাম (৪৮), মোঃ আঃ জলিল (৫০), আক্তারুজ্জামান বাবুল (৫৮), হেকমত আলী (৪৫), আঃ কদ্দুছ (৫২) রফিকুল ইসলাম(৪০), আবু তাহের (৪৮), সিদ্দিকুর রহমান (৫০), হারুন অর রশিদ, খোকন মিয়া (৪৫), মিনহাজ উদ্দিন (৪০), সুলতান মিয়া (৪৮), জমশেদ আলী (৫০), আঃ হালিম, সজিব হাছান হাসমত (৫০), রফিকুল ইসলাম (মানিক), ইদ্রিস আলী সিরাজী, ছাইফুল ইসলাম, আলম, আঃ জব্বার, তারু, আবু হানিফ মির্জা, মোঃ আঃ হালিম, মোঃ মেজবাহ উদ্দিন রেনু (৫৬), গোলাম মোস্তফা (৪৮), সুমন সেন (৪৫), খবির মাষ্টার (৪৭), আবু সাঈদ (৫৩), ইমন (৪০), মোফাজ্জল হোসেন (৪৫), মতি ডাক্তার (৬০), মোঃ জাহাঙ্গীর হোসন (৫৫)সিহ অজ্ঞাতনামা ৫০০/৭০০ জন বিগত ০৪/০৮/২০২৪ ইং তারিখে সময় সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় আসামী কে এম খালিদ বাবু, বিলাল হোসেন সরকার, আরব আলী ও মাহবুবুল আলম মনি এর নেতৃত্বে এজাহার নামীয় আসামীগন সহ অজ্ঞাতনামা ৫০০/৭০০ জন আসামী পশ্চিম দিক (পল্লীবিদ্যুৎ এর সামনে আওয়ামীলীগ
অফিস) হইতে মিছিল সহকারে বড় হিস্যা বাজার বাসার সামনে আসিয়া রাস্তা বেরিকেট দিয়া রায় চলাচলরত যানবাহন ভাংচুর করিয়া আমার বাসার সামনে কে এম খালিদ বাবু, বিলাল হোসেন সরকার ও আরব আলী তাহাদের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র পিস্তল দিয়া ১৫/১৬ রাউন্ড গুলি করে এবং ২০/২২ টি ককটেল বিস্ফোরন ঘটাইয়া জনমনে আতংক সৃষ্টি করিয়া অন্তর্ঘাতমূলক নাশকতা করে এবং সকল আসামীগন আমার বাসায় ঢুকিয়া ৩টি খাট, ২টি ড্রেসিং টেবিল, ১টি ডাইনিং টেবিল, ৩টি ফ্রিজ, সোফা সেট, ওয়াড্রপ, বাসার থালা বাসন সহ বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র কুপাইয়া, কাটিয়া, ভাংচুর করিয়া আগুন দিয়া পুড়াইয়া অনুমান ৭,০০,০০০/- (সাত লক্ষ) টাকার ক্ষতি সাধন করে। উল্লেখিত আসামীগনসহ অজ্ঞাতনামা আসামীরা ককটেল বিস্ফোরন ঘটাইয়া ও গুলি করিয়া অর্ন্তঘাতমূলক নাশকতা করিয়া ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫-D ধারার অপরাধ করিয়াছে। সারা দেশে বৈশ্বয়িক ছাত্র আন্দোলনের কারনে অফিস আদালত বন্ধ থাকায় মোকদ্দমা দায়ের করিতে কিছুটা বিলম্ব হইল বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।