
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ এর অভিযানে ০৬ (ছয়) কেজি গাঁজা উদ্ধার, ০২ জন মহিলাসহ গ্রেপ্তার ০৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।
গত ০৯ সেপ্টেম্বর সাড়ে ছয়টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কর্যালয় ময়মনসিংহ ‘ক’ সার্কেলের একটি টিম পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল কবির এর নেতৃত্বে বিভাগীয় এস, আই জনাব মোর্শেদ আলম, এ.এস.আই সর্ব জনাব আমেনা বেগম, সিপাই সর্ব জনাব মোঃ রাজু মিয়া, সাব্বির আহমেদ, মাহমুদুল হাসান, মোঃ আশরাফুল আলম পাপ্পু ও গাড়ী চালক মোঃ শরিফুল আলম এর সমন্বয়ে একটি রেইডিং পার্টি গঠন করে গফরগাঁও থানাধীন উদ্বুরী গ্রামস্থ উদ্বুরী চৌরাস্তা গোলচত্তরের পূর্ব পাশে নিমার্ণাধীন রাসেল মার্কেটের সামনে হোসেনপুর-গফরগাঁও পাকা রাস্তার উপর হতে ৬ (ছয়) কেজি গাঁজা উদ্ধার ও জব্দ করেন এবং মোছাঃ শিল্পী বেগম (২৬), স্বামীঃ মোঃ লিটন মিয়া, পিতাঃ মোঃ জালাল মিয়া, সাং- দূর্গাপুর, থানা- আখউড়া, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, লিমা আক্তার (২২), স্বামীঃ জাকির হোসেন, পিতাঃ হুমায়ুন কবির, মাতা- মৃত রুমা বেগম, সাং- দূর্গাপুর, থানা- আখউড়া, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও মোঃ আশফাক আলী মাহিন (২৪), পিতাঃ মোঃ ইব্রাহিম আলী, মাতা- সামছুন্নাহার, সাং-ইসবপুর ফকির বাড়ী, থানা- শ্রীমঙ্গল, জেলা- মৌলভীবাজার। আসামীদের গ্রেফতার করে পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল কবির বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। আসামীরা আন্তঃজেলা মাদক চোরাকারবারী চক্রের সদস্য। তারা আখাউড়া ব্রাহ্মনবাড়িয়া হতে মাদক সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় গাঁজা সরবরাহ করে বলে জানা যায়। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জনাব মুহাম্মদ আমিনুল কবির জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে আসছে। তিনি ময়মনসিংহে এপ্রিল/২৪ মাসে যোগদানের পর থেকে আপোষহীন ভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছেন। ইতিমধ্যে তিনি ময়মনসিংহের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রেহেনা বেগম এর আস্তানা হতে যথাক্রমে ১৪০ ও ০৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে তার সহযোগী মোঃ সোহাগ ও নুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছেন। মাদক সম্রাজ্ঞী গডফাদার রেহেনা বেগম কেওয়াটখালী বাজার ও তার আশেপাশে মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। তিনি তার ১০/১২ জন সেলম্যান দিয়ে অবৈধ মাদকের ব্যবসা প্রকাশ্যে চালিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে মাদাকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর (গডফাদার) পৃষ্টপোষকতা ও অর্থলগ্নিকারী হিসাবে ৪০ ধারায় দুইটি মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। আরেক মাদক ব্যবসায়ী সুরমা বেগম পাটগুদাম হাজী কাশেম আলী কলেজের মাঠের বস্তি এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। গত ২৫/০৭/২০২৪ ইং তারিখে তার আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে ০৪ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্বার পূর্বক তার বিরুদ্ধে কোতোয়ারী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তিনি কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী, অপ্রতিরোধ্য ভাবে ও প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সংকট কালীন সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ ছাত্র জনতা ও সেনাবাহিনীর সাথে একসাথে কাজ করে ছাত্র জনতা ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় মুক্তাগাছা থানা এলাকা হতে গত ০৯/০৮/২০২৪ তারিখে প্রাইভেটকার সহ ৩২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে খলিলুর রহমান নামে একজন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার পূর্বক মুক্তাগাছা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। গত ১০/০৮/২০২৪ ইং তারিখে সংকটকালীন সময়ে ছাত্র জনতার সহায়তায় ত্রিশাল থানা এলাকা হতে ১৬ কেজি গাঁজা একটি মটরসাইকেলসহ নবী হোসেন ও রিয়াদ নামে দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে ত্রিশাল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
८
E