1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শেখ হাসিনা ছিলেন গড গিফটেড প্রধানমন্ত্রী - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ত্রিশালে ডাকাতি ব্যবসায়ীকে খুন করে ১৫ লাখ টাকা লুট ময়মনসিংহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর ব্যাখ্যা ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনে ‘নীরব ভোট বিপ্লবের’অপেক্ষায় জামায়াত ময়মনসিংহ-৪ আসনে দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসান এমরুল এর ব্যাপক গণসংযোগ কোতোয়ালি পুলিশের অভিযানে ছিনতাইকারীরা এলাকা ছাড়ছে ময়মনসিংহে পুলিশের উপর হামলার মামলার আসামিরা প্রক্যশো ঘুরে বেড়াচ্ছে সকল ধর্মের নারীদের সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিলেন- ডা. শফিকুর রহমান মিঠামইনে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার ময়মনসিংহে সদর এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ গৌরীপুর কলেজ ছাত্রীর আত্নহত্যা!

শেখ হাসিনা ছিলেন গড গিফটেড প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার ::
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

৫ আগষ্ট ২০২৪। আওয়ামী লীগ সরকারের পতন। এই পতনের পূর্বে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে, কিছু শব্দ ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ বিরোধীরা সরকার পতনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এতে লোভে পড়ে সহযোগিতা করে খোদ আওয়ামী লীগের বহু নেতা কর্মি সমর্থক ও তাদের সন্তানরা। সরকার পতনের শব্দ গুলো কি ছিল? চাকুরির ক্ষেত্রে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে।

সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা হবে।
এইরকম আরও কিছু শব্দ, যা খুব সহজেই মানুষকে পক্ষে নিতে পেরেছে। এতে যা হওয়ার, তাই হয়েছে। দেশি এবং বিদেশি ষড়যন্ত্র সফল হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা চ্যুত হয়েছে।
সরকার পতনের ষড়যন্ত্রের সময় দলের সভাপতি ও ঐ সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্র বুঝেছিলেন। মোকাবিলা করার চেষ্টাও উনি করে ছিলেন। বারবার মানুষকে বুঝাতে চেষ্টা করেছিলেন, এটা দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন। কেন হয়েছেন? ব্যর্থ হয়েছেন নিজ দলের লোকজনের সর্বাত্মক অসহযোগিতার জন্য। কেন অসহযোগিতা করলো আওয়ামী লীগ? তার কারণ, দলের লোকজন ও তার সন্তানদের ষড়যন্ত্রকারিরা বুঝাতে সক্ষম হয়েছিল, চাকরি পায় মুক্তি যোদ্ধা কোটায়। তাতে আওয়ামী লীগের কি লাভ? মুক্তিযোদ্ধা কোটা আছে কিন্তু আওয়ামীলীগ কোটা নাই ? ২০০১ সালের পরে জন্ম নেওয়া আওয়ামীলীগ পরিবারের অধিকাংশ সন্তানরাও ষড়যন্ত্রকারিদের খপ্পড়ে পড়ে যায়। আওয়ামী লীগের অনেক সন্তানরা এই প্রশ্ন খুব সুন্দর করে গিলে ফেলে এবং সরকারের পতন নিশ্চিত করে বাড়ি ফিরে হাসি মুখে। অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে দেশের কোটি কোটি শেখ হাসিনা ভক্ত বঙ্গবন্ধুর চেতনা ধারণ করা মানুষ।
খুব বেশি সময় নিতে হয়নি স্বাধীনতার পক্ষের মানুষদের। শেখ হাসিনার প্রতিটি কথা সত্যে প্রমাণিত হতে সময় খুব বেশি গড়াতে হয়নি। ৫ তারিখ থেকেই বুঝতে পেরেছে কি সর্বনাশ তারা করেছে নিজের, দলের এবং দেশের। কিন্তু যা হওয়ার তাই হয়ে গেছে।
বৈষম্যের কথা বলে একই রকম ভাবে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে। না বুঝে, দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে যারা প্রোফাইল লাল করেছিল, সেই নতুন প্রজন্মও বুঝতে পেরেছে তারা কতোবড় ভুল করেছে। তারা এখন কোথাও প্রতিশ্রুতির অস্তিত্ব খুঁজে পাচ্ছে না।
প্রশ্ন হল, কেন আওয়ামী লীগ দেশের জন্য এতো উন্নয়ন মূলক কাজ করার পরও ষড়যন্ত্রের শিকার হলো। ষড়যন্ত্র সফল হলো। কারণ, শেখ হাসিনা দেশের এবং দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন। একের পর এক সফলও হয়েছেন। সফলতার পাশাপাশি শত্রুর সংখ্যাও অনেক গুণ বেড়ে গেছে। দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র। এমনি অবস্থায় শেখ হাসিনার পাশে থাকা মানুষদের সহযোগিতা করা ছিলো জরুরি। সহযোগিতা করার দরকার ছিলো মন্ত্রী, এমপি, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সর্বস্তরের নেতা কর্মিদের। কিন্তু কেউ সহযোগিতা করেনি। তারা পালিয়েছে পরিবার পরিজন নিয়ে। আর ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার জন্য দরকার নেতৃত্ব না পাওয়াই শেখ হাসিনার জন্য জীবন উৎস্বর্গ করার অসহায় মানুষরা নিরব দর্শক হয়ে চোখের জলে দলের পরাজয়ের ঐতিহাসিক স্বাক্ষী হয়েছে। যেমনটি হযেছিল পলাশীর প্রান্তে নবাব সিরাজ উদ্দৌলার বেলায়।
শেখ হাসিনা মন্ত্রী বানিয়েছেন, এমপি বানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনের মেয়র বানিয়েছেন উপমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর পদ মর্যাদায়। দলের এবং শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসা বিক্রি করে বড় বড় মিছিল সমাবেশ উনারা করেছেন ঠিকই। কিন্তু ঐসব Big Bigen Biggest নেতারা কর্মি সমর্থকদের ভালোবাসা অর্জন করতে পারেননি। কর্মিদের ভালোবাসা অর্জনের চেষ্টাও করেননি। করেছেন নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন। নিজেদের জীবন কে পৌঁছে দিয়েছেন পাশ্চাত্যের আধুনিকতার প্রতিযোগিতায়। অথচ শেখ হাসিনা ঘুমাতেন দশ হাজার টাকা মূল্যের খাটে।
তাই বলবো, একজন শেখ হাসিনা দেশ ও মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছেন। আল্লাহর মেহেরবানিতে তিনি সফলও হয়েছেন। কিন্তু পারেননি জনবান্ধব মন্ত্রী, এমপি, মেয়র, রাজনৈতিক দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বানাতে।
তবুও বললো, শেখ হাসিনা ছিলেন গড গিফটেড প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD