1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ময়মনসিংহে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎ ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

ময়মনসিংহে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪০৯ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ সদরের ফকিরাকান্দা বয়রা পশ্চিমপাড়া সাকিনের ফখরুল ইসলাম নামীয় এক ব্যক্তিকে স্ত্রী হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করিয়া দন্ডবিধির ৩০৩ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। মঙ্গলবার ময়মনসিংহের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মমতাজ পারভীন এ আদেশ দেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, আসামী ফখরুল ২০১২ সালের ২৬ মার্চ বিকাল ৩টায় তার বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা স্ত্রী শিরিনাজ বেগমকে বটি দাও দিয়া জবাই করে হত্যা করে। এর আগে ২০০১ সালের ১৬ আগস্ট তার ২য় স্ত্রী একজন বিহারী নারী কানিজ ওরফে তানিয়াকে হত্যার দায়ে ১৩/০৯/২০০৩ তারিখ তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। উক্ত মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে ১ম স্ত্রী শিরিনাজকে ঘুমন্ত অবস্থায় জবাই করে হত্যা করে।
অত্র মামলা চলাকালে আসামী নিজেকে অপ্রকৃতিস্থ দাবী করিলে আদালতের নির্দেশে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড বিভিন্ন পরিক্ষা-নীরিক্ষা শেষে তাকে সুস্থ্য ঘোষণা করে।
একইসঙ্গে ২০০১ সালের মামলার ঘটনার সময় সে অপ্রকৃতিস্থ ছিল মর্মে দাবী করিলে পাবনা মানসিক হাসপাতাল থেকে কাগজপত্র সংগ্রহ করে আদালত অবগত হয় যে, ওই সময়কালেও সে স্বাভাবিক ছিল বিধায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি না করে ফেরত পাঠায়।

যেহেতু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামী ২য় বার একই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছে, তাই ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারায় নির্ধারিত বিধান অনুসারে একমাত্র শাস্তি মৃত্যদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, পাবলিক প্রসিকিউটর বীর মুক্তিযোদ্ধা কবীর উদ্দিন ভূঁইয়া। আসামিপক্ষে রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন মোকাম্মেল হক শাকিল।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD