1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনের কুখ্যাত চাদাবাজ! - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎ ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশনের কুখ্যাত চাদাবাজ!

স্টাফ রিপোর্টার ::
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে ভিতরে দীর্ঘদিন ধরে জনৈক ইউসুফ নামে একজন হর্কার চাঁদাবাজি করে আসছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় একাধীক সংবাদ প্রচার করা হলেও রেলওয়ে পুলিশ প্রশাসন নিরব। মনে হয় সরিষার মধ্যে ভূত লুকিয়ে আছে। না হয় কালো চশমা পড়ে আছে প্রশাসন। হকার চাঁদা আদায় অস্বীকৃত জানালে প্রতিদিন চর থাপ্পর দিয়ে থাকে চাঁদা তোলা ব্যাক্তিরা। এনিয়ে একটি ভিডিও দিয়েছে সুশীল সমাজের একজন নাগরিক। জনৈক জসিম নামে একজন রেলওয়ে থানার ২০ গজ সামনে থেকে হকার কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে।

এক হর্কার সাথে কথা বললে তিনি জানান, রেলওয়ে পুলিশের কথা বলেই আমাদের কাছে থেকে প্রতিদিন ইউসুফ মিয়ার ভাড়াটিয়া জসিম নামে একজন চাঁদা নিয়ে থাকে। এই জসিম রয়েছে ২নং প্লাটফরমে অবৈধ যায়গা দখল করে ফলের দোকান । এতে প্রচন্ড রকমের যাত্রীদের অসুবিধা হয়। চাঁদা না দিলে সে চর থাপ্পর মারে। বিচার দিয়ে লাভ নাই। পুলিশ তাদের কথা শুনে। শুনছি রেলওয়ে থানার পুলিশকে প্রতি সাপ্তাহে টাকা দিতে হয়।

এদিকে শুধু রেলওয়ে প্লাটফরম চাঁদা তোলা হয় না – এটি ছড়িয়ে গেছে প্লাট ফরম বাহিরে। সারাদিন বাহিরে ভাতের হোটেল আর সকাল সন্ধা পযন্ত গাজার গন্ধ রন্ধে রন্ধে। রয়েছে একটা মেক্সি বাসস্ট্রান্ড। রেলওয়ে স্টেশনের বাহিরে বাসস্ট্রান্ড বন্ধ করার ক্ষমতা হয়তো কারো নেই! মোটা অংকের টাকা চলে যায় পকেটে। সন্ধারপর ২-৩ প্লাট ফরমে গাজা গন্ধে থাকা যায় না। এছাড়া সন্ধারপর শতাধীক দোকান বসে স্টেশনে বাহির। এসব দোকারদের কাছে থেকে প্রতদিন সাপ্তাহিক ও মাসিক মাসহারা যাচ্ছে প্রশাসনের কাছে। এসব টাকা তোলার দায়িত্ব হলো জনৈক মিনার নামে এক ব্যাক্তির । সে রেলওয়ে স্টেশনে বাহিরে পানের দোকান করে ও রেল টিকেট কালোবাজারি করে সকাল থেকে রাত পযন্ত। তা প্রশাসন থেকে শুরু করে সবাই জানে। কোন রহস্য কারনে তাকে গ্রেফতার করে না এটা প্রশাসন কর্মকর্তারা বলতে পারবে!

সুশীল সমাজের নাগরিকদের দাবী এসব চাঁদাবাজ দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD