
আবু সাঈদ বাদল, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার খাগডহর পরিষদের একজন সফল চেয়ারম্যান। তার মধ্যে, সততা,শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ, কঠোর পরিশ্রম, দুর্দশী নেতৃত্ব, সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে সমাজের অবহেলিত, অসহায়, দরিদ্র, শ্রমজীবী, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত সরকারের সকল সুযোগ-সুবিধার আওতায় এসেছেন।
নিশ্চিত হয়েছে বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা। তিনি স্বচ্ছতার সাথে ইউনয়িনের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা, কাবিটা, কর্মসিজন প্রকল্প ও এলজিএসপি বাস্তবায়ন করেছেন। একের পর এক গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানরে উন্নয়ন করেছেন।
বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে নিজ কর্মগুণে করোনা যোদ্ধা হিসেবে পরিচতি লাভ করেছিলেন। দলমত নির্বিশেষে স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতামূলক কাজের মধ্যে দিয়ে একজন সফল ইউনয়িন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন আবু সাঈদ বাদল।
ইউনিয়নবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, শুরু থেকেই সততা ও স্বচ্ছতার কাছে আপষহীন চেয়ারম্যান আবু সাঈদ বাদল । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ছিলেন কঠোর অবস্থানে। সাহসীকতার সাথে দুর করেছেন অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক। প্রতিটি গ্রামের অসহায় ও দুস্থদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা তৈরি করে সরকারের সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছেন।
বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে জীবনের ঝুকি নিয়ে দুস্থদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন চাল, ডাল, তেল, আলু সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। গিয়েছেন করোনা আক্রন্ত বাড়িতেও। তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেয়া ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছেনে। দিয়েছেন নগদ অর্থ সুবিধা। মানবিক এসব কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে পরিচিতি লাভ করেছেন মানবিক চেয়ারম্যান হিসেবে। স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও সচেতন মানুষ চেয়ারম্যান আবু সাঈদ বাদল কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাগডহর ইউনয়িন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ বাদল বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সাথে মানুষের সেবা করার জন্য চেষ্টা করছি। সবসময় চেষ্টা করছি অসহায় ও অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার এবং সহযোগীতা করার।