1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
জামালপুরের কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী এখন ডাক্তার - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎ ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

জামালপুরের কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী এখন ডাক্তার

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

জামালপুর প্রতিনিধি:  জামালপুর সদর বাঁশচড়া ইউনিয়নের জিগাতলা এলাকায় মৃত ময়েজ উদ্দিন এর ছেলে মোঃ মোজাফফর মুন্সি (বয়স ৫৭ / বই পড়ে ডাক্তার হয়ে রোগীদের সেবা প্রদান করছেন তিনি এলোপ্যাথি,পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি যেকোনো রোগের চিকিৎসা প্রদান করে যাচ্ছেন এবং এসিট দিয়ে নাকের সমস্যা মাংস গলিয়ে দিচ্ছেন।

তার সহযোগী হিসেবে রয়েছেন তার ছেলে আব্দুল জলিল পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী

(বয়স-২৬/ তিনিও বাবার পথ অনুসরণ করে বই পড়ে ডাক্তারি সেবা প্রদান করছেন।তার আরেকজন সহযোগী হিসেবে রয়েছে একই এলাকার মৃত শাহ আলীর ছেলে মোহাম্মদ হিরামিয়া।

এ ব্যাপারে ডাক্তার মোজাফফর এর সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি ৮ ম শ্রেনী পর্যন্ত পড়েছেন।তার গুরু মৃত আঃ জব্বার এর কাছ থেকেই তিনি এই শিক্ষা নিয়েছেন। বাকীটা বই পড়ে কাজ চালাচ্ছেন।তার এই পেশায় ৭/৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার কোনো ডাক্তারি সার্টিফিকেট কিংবা কোনো কোর্স ও করা নেই।

তার ছেলের ব্যাপারে জানান, তার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী, তার সহযোগী হিসেবে রোগী দেখছেন। তিনিও বইপড়ে এই পেশায় কাজ করছেন।

এ ব্যাপারে তার ছেলের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি এড়িয়ে গেছেন।এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘ দিন যাবত তিনি মানুষকে এভাবে চিকিৎসা করেন ।কিন্তু তার কোনো সার্টিফিকেট নেই।তিনি বিভিন্ন ঔষুধ সহ এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি ও নানা রোগীর চিকিৎসা প্রদান করেন।এতে কেউ সুস্থ হলে হয় নয়তো আবার মৃত্যু স্বরনাপন্ন হতে হয়।

এলাকাবাসী আরও জানান,বিভিন্ন ভ্যানগাড়ী চালক ও ফার্মেসি ওয়ালারা দালাল হিসেবে কাজ করেন তার সাথে। রোগীর খোজ পেলে তাকে জানায়,বা রোগীদের পাঠানোর জন্য বকশিস ও পান ভ্যানচালক ও ফার্মেসির লোকেরা। তিনি আগে বাজারে কাঁচা তরাকারির ব্যবসা করতেন।

অত্র এলাকাবাসী একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক না।

তিনি জানায় যে, আমি নিজেই তার কাছে থেকে সেবা নিয়েছি, তিন থেকে চারশত (৩০০/৪০০) টাকার ঔষধ আমাকে দিয়েছে। আমার কোন লাভ হয়নি চিকিৎসা নিয়ে।

আমি এরকম চিকিৎসকের শাস্তি দাবী করছি। এবং জেলা সিভিল সার্জন ও প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী।

 

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD