1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
আত তাবীব এতিমখানা থেকে তিনজন হাফেজকে পাগরী প্রদান - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে সিভিল সার্জন অফিসের সেই সুলতানের ঘুষের ভিডিও ভাইরাল: নেপথ্যে সাইফুল-জাকির সিন্ডিকেট মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎

আত তাবীব এতিমখানা থেকে তিনজন হাফেজকে পাগরী প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার ::
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে
 ময়মনসিংহ নগরীর বলাশপুর আত তাবীব ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে চলতি বছর তিনজনকে পাগরী প্রদান করা হয়েছে। পাগরীপ্রাপ্ত তিনজন হাফেজরা হাফেজ আবু নাঈম, হাফেজ মোঃ মিজানুর রহমান ও মিজান হাফেজ আবু হুসাইন।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারী মাওলানা আব্দুস সালাম ও মাওলামা এনামুল হক আইয়ুবি উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পাগরী প্রদান করেন। আত তাবীব মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, ২০১৫ সালে ছয় এতিম শিশু নিয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানা নিজ উদ্যোগে কার্যক্রম শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থী বাড়তে থাকে।এ পর্যন্ত ১০ জন এতিম শিশু তার মাদ্রাসা থেকে পাগরী প্রদান করা হয়েছে।
মিজানুর রহমান জানান, এই মাদ্রাসায় বর্তমানে ৩২ এতিম শিশু পাঠদান করছেন। এই পাঠদান কার্যক্রমে তিনজন শিক্ষক এবং তাদের জন্য আরো তিনজন কর্মচারী রয়েছেন। যারা এই অবুঝ শিশুদের রান্নাবাড়া থেকে শুরু করে শিশুদের নানা বিষয়ে সহযোগিতা করে আসছেন।
প্রতি মাসে প্রতিষ্টান পরিচালনা ও এতিমখানার শিশুদের সবার খাওয়া-দাওয়ায় প্রায় দেড় লাখ  টাকা খরচ হয়। এ ছাড়া তিনজন শিক্ষক, রন্ধনশিল্পীর বেতন ও বিদ্যুতের বিল মিলিয়ে প্রায় ৫৫/৬০ হাজার টাকা বায় হয়। বিভিন্নজনের সাহায্যের পাশাপাশি নিজের চেষ্টায় এসব টাকা সংগ্রহ করে ব্যয় মিটাতে কষ্ট হয় দাবী করে তিনি বলেন, কষ্ট করতে পছন্দ করেন তিনি। রিকশার ওঠেন না। কারণ রিকশায় উঠলে ন্যূনতম ২০ টাকা ভাড়া লাগে। সেই ২০ টাকা এতিমখানায় ব্যয় করাতে চেষ্টা করেন তিনি। মূলত দানের ওপরই চলছে এতিমখানাটি, প্রতি মাসে বেশ কয়েক হাজার টাকা ঋণ করতে হয়। পার আরো দান পেলে ঋণ শোধ করেন। কিন্তু ঋণ আর শেষ হয় না। গরিব ও অসহায় শিশুরা এখানে থাকা-খাওয়ার সুযোগ পায় এটাই তার শান্তি।
 তিনি আরো বলেন, ২০১৪ সালের ১৯ জুন তাঁর একমাত্র ছেলে রফিক উদ্দিন তাবীব (৫) পুকুরে ডুবে মারা যায়। এরপর ছেলের শোকে কাতর হয়ে পড়েন তিনি। ছেলে মাদরাসায় পড়ত। ছেলের শোক কাটাতে এবং ছেলের আত্মার শান্তির জন্য পথ খুজতে এবং ছেলেকে এতিম শিশুদের মাঝে  খুঁজে পেতে কেওয়াটখালী ঈদগাহ মাঠের পাশে
এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলি।
তিনি আরো বলেন, আমার পরিবার নিয়ে সাধারণভাবেই জীবন চলছি। মানবিক বোধ থেকে নিজের জীবনের সঙ্গে এই এতিম শিশুদেরকে যুক্ত করেছি। তাদের শিক্ষারও দায়িত্ব নিয়েছেন মিজানুর রহমান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD