1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
কেবি কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নিয়োগ বণিজ্যের অভিযোগ  - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহে সিভিল সার্জন অফিসের সেই সুলতানের ঘুষের ভিডিও ভাইরাল: নেপথ্যে সাইফুল-জাকির সিন্ডিকেট মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎

কেবি কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নিয়োগ বণিজ্যের অভিযোগ 

স্টাফ রিপোর্টার ::
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫
  • ৪১৯ বার পড়া হয়েছে
অর্থ কেলেঙ্কারী, নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৬ সালের ১৫ মে বিক্ষুব্ধ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (কেবি) কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আতাউর রহমান। এরপর ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ পূর্নাঙ্গ বরখাস্ত হন তিনি। এনিয়ে টানা ৬ বছর আইনী লড়াই শেষে পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ‘বৈষম্যের শিকার’ দাবি করে গত (২০২৪) বছরের ২ সেপ্টম্বর স্বপদে পুর্নবহাল হন তিনি। এতেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এই কলেজ অধ্যক্ষ।
অভিযোগ উঠেছে, পদে ফিরেই আবারও অবৈধ প্রভাববিস্তার করে অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যে মেতে উঠেছেন অধ্যক্ষ। এনিয়ে কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের মধ্যে দলাদলির সৃষ্টি হয়েছে। তবে অধ্যক্ষের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
সূত্র জানায়,মোঃ আতাউর রহমান অধ্যক্ষ থাকাকালে ২০০৭ সালে তাঁর বাসায় কাজের সুবাধে মোঃ  মজিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে অফিস সহায়ক পদে চাকরি দেন। এ ঘটনার এক বছর পর ২০০৮ সালে মজিবুর রহমানের শ্যালক সুমন মিয়াকেও অফিস কর্মচারি পদে চাকরি দেন। বর্তমানে অধ্যক্ষ স্বপদে পুনরায় বহাল হয়ে অফিস সহায়ক মজিবুরের ছেলে রেজাউর রহমান রূপনকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক আচনের অভিযোগ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিষ্ঠানের অর্নার বোর্ড থেকে সাবেক ২ অধ্যক্ষের নাম তুলে ফেলে দিয়েছেন বর্তমান অধ্যক্ষ আতাউর রহমান। শহীদ মিনার থেকে সাবেক চেয়ারম্যান ও ভিসির নাম ফেলে দিয়ে করেছেন নতুন ফলক এবং তাঁর বরখাস্তকালীন সময়ে সকল বিষয় অনুসন্ধানে গঠন করেছেন ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি।
সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে স্বেচ্ছায় চাকরী ছেড়ে চলে যাওয়া আইসিটি শিক্ষক নুরুজ্জামানকে ফের নিয়োগ এবং সিনিয়রিটি দেওয়ার প্রস্তাব, অবসর নেওয়া ২ জনের পেনশন আটকে দেওয়া এবং পিকনিকে না যাওয়ায় এবসেন্ট দেখানো। এছাড়াও কলেজে মালী থাকা স্বত্বেও আরও একজনকে মালী নিয়োগ, নিয়ম না মেনেই ২ জনকে গার্ড নিয়োগ করেছেন অধ্যক্ষ। এনিয়ে অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ আতাউর রহমান। তিনি বলেন, অতি গোপনীয়তায় অত্যান্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চলছে এই নিয়োগ কার্যক্রম। প্রার্থীদের ফলাফল মূল্যায়নে নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে বাণিজ্যের কোন সুযোগ নেই। আমি কারো বিরুদ্ধেই প্রতিহিংসার আচরণ করছি না।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD