
ময়মনসিংহে একজন জনপ্রিয় ব্যক্তির নাম রাসেল পাঠান।যেমনি তার রাজনৈতিক প্রতিভা তেমনি তার জনপ্রিয়তা। মানবিক মানুষ রসেল পাঠান। রাজনৈতিক মেরু করণে আজ সে জেলবন্দি।জামিন হলেই দেখানো হয় তাকে শ্যোন অ্যারেষ্ট। এভাবেই দিনের পর দিন, মাসের পর মাস হাজতবাস করছে।প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে তাকে সব মামলায় গ্রেফতার নাদেখানোর কারণটি অজ্ঞাতই থেকে যাচ্ছে। দানশীল রাসেল পাঠানের অনুপস্থিতি হতদরিদ্র মানুষ গুলো হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ঈদ আগমনী দিনগুলোতে। তার পরিবার দাবী করেন দফায় দফায় শ্যোন অ্যারেষ্ট দেখানোর ফলে আত্নসর্থনে তারা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা যায়, রাসেল পাঠান সাবেক সভাপতি, ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ, ময়মনসিংহ শহর শাখা (২০০২-২০০৪) সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা (২০০৫-২০১০ সাবেক ছাত্রকল্যাণ ও সমাজসেবা সম্পাদক, আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (২০০৫) সাবেক সভাপতি, আওয়ামী আইন ছাত্র পরিষদ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা (২০১৪-২০১৫) সাবেক ভি.পি, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্র সংসদ, ময়মনসিংহ (২০১৩-২০১৪) সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ময়মনসিংহ মহানগর শাখা (২০১৫) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ময়মনসিংহ মহানগর শাখা (২০১৭ হতে অদ্যাবধি) সামাজিক সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি, গোহাইলকান্দি হাই স্কুল, ময়মনসিংহ কোঅপ্ট (শিক্ষানুরাগী) সদস্য, আবুল মনসুর মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ কোঅপ্ট (শিক্ষানুরাগী) সদস্য, সোনাখালী পাজলারচর উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দীপু সায়েম ক্রীড়া চক্র, ময়মনসিংহ সদস্য, এপেক্স ক্লাব, ময়মনসিংহ প্রধান উপদেষ্টা, অগ্রগতি কোচিং সেন্টার,
তার পরিবার সুত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ ১৯৭১ পরবর্তী প্রজন্ম আমার পিতা মরহুম আব্দুর রাজ্জাক পাঠান মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢালু যুবশিবির ভারতের মেঘালয়ে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং সম্পন্ন করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ভালুকা মুক্ত হয়। বিগত জামাত-বিএনপি জোট সরকারের আমলে ময়মনসিংহ রাজনীতির অবিসংবাদিত অভিভাবক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নির্দেশে রাজপথে সর্বদা দায়িত্বপালন করেন। এ সময় বিএনপি-জামাতের বিভিন্ন মামলায় আক্রান্ত হয়ে দিনের পর দিন পরিবারের বাইরে মানবেতর জীবন-যাপন করেন। এছাড়া ২০০৪ হতে জেলা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের ছাত্রকল্যাণ ও সমাজ সেবা সম্পাদক থাকা অবস্থায় জামাত-বিএনপি জোট সরকারের আমলে সকল গায়েবী মামলার আসামী হন। জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করেও দলীয় আদর্শের প্রতি আনুগত্য থেকে প্রাপ্ত সকল দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করি। ভবিষ্যতেও দলীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
রাসেল পাঠান ২০২৪ এর পরেও হাফ ডজন রাজনৈতিক মামলার আসামী হয়েছেন।তার পরিবার দাবী করে, রাজনীতি করার কারণে রাসেল পাঠান দফায় দফায় মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছেন। এক একটি মামলায় শত শত আসামী করা হয়েছে। তার মধ্যে তার নামও রয়েছে।কোন মামলায় স্থানীয় ভাবে জামিন না দেয়ায় সব জামিন হাইকোট থেকে করতে হচ্ছে।ফলে তার নানা ভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।