1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ময়মনসিংহ জজ কোর্টে চাকুরী করে জামিনের তদবির ঃ ৪ লাখ টাকা অত্নসাৎ - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় মামলা ভালুকার ছেলে বাবাকে গুলির ঘটনায় মোর্শেদকে আসামী করে মামলা পরানগঞ্জ ইউনিয়ন বাসীকে পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানালেন ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি পদপ্রার্থী আবু সাঈদ রাতভর লাইনে থেকেও মিলছে না জ্বালানি, ‘সিন্ডিকেটে’ পেট্রোল পাচ্ছে প্রভাবশালীরা দুদকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন ————————————– মিঠামইনের চমকপুরে অপরিকল্পিত বেড়িবাধের স্মৃতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট :বরাদ্দের বেশিরভাগ অর্থ লুট অন্তঃসত্ত্বা ‘পরিচয়হীন’ নারীর পাশে প্রশাসন: ধানীখোলায় ইউএনও’র মানবিক উদ্যোগে মিললো আশ্রয় ত্রিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ত্রিশাল থেকেই সংস্কৃতি বদলের ডাক ত্রিশালে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎জাহাঈীর আলম ময়মনসিংহ ‎ ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

ময়মনসিংহ জজ কোর্টে চাকুরী করে জামিনের তদবির ঃ ৪ লাখ টাকা অত্নসাৎ

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪৩০ বার পড়া হয়েছে

 ময়মনসিংহ জজ কোর্টে কর্মরত থাকা সময়ে জজ কোর্টের কর্মচারী নিরপেক্ষ বিচারিক আদালতকে বিতর্কিত করার লক্ষে ময়মনসিংহ জজ কোর্টের কর্মচারী সামাদ ও সারোয়ার হোসেন এক মাদক মামলার আসামীর স্ত্রীর কাছ জামিন করিয়ে দিবে বলে ৪ লাখ টাকা নিয়ে ভূয়া জামিন নামা দিয়ে আরো আড়াই লাখ দাবী করার অভিযোগে বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১ নং সি আর আমলী আদালতে মামলা করেন আসামীর স্ত্রী মাহফুজা খাতুন। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডিকে নির্দেশ দিলে, সিআইডি তদন্ত করে ঘটনা সত্য বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

সুত্র জানায়, আসামীর স্ত্রী মাহফুজা খাতুন, বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১ নং সি আর আমলী আদালতে মামলা করেন। মামলা নং ১২৫৮/২০২১, ধারা- পেনাল কোড-১৮৬০ এর ৪০৬/৪২০/৫০৬(।।)। মামলাটি দায়েরের পর বিজ্ঞ বিচারক সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। সংস্থার পক্ষ থেকে তদন্তের দায়িত্ব বর্তায় উপ-পুলিশ পরিদর্শক নয়ন মিয়ার উপর। তিনি স্বরজমিনে প্রকাশ্য ও গোপনে তদন্ত কেিজ ব্যপক অনুসন্ধান চালান। ঘটনাটি দিনের আলোর মতই তার তদন্তে পরিস্কার হয়ে যায়। তিনি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, হাজতী আসামী মোতালেবকে জামিন করিয়ে দিবে বলে ৪ লাখ টাকা ময়মনসিংহ জজ কোর্টের কর্মচারী সামাদ ও সারোয়ার হোসেন নিয়েছেন। এর পরে মহামন্য হাইকোর্টের ভূয়া জামিন নামা দেখিয়ে আরো ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন। অবাক হওয়ার বিষয় যে, বিচারিক জজ কোর্টে চাকুরি করে এমন ভূয়া জামিন নামা তৈয়ার করার সাহস কোথা থেকে পেল! বর্তমানে অভিযোক্তরা কিশোরগজ্ঞ জজ আদালতে কর্মরত আছে বলে জানা যায়।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করেছেন, আপর অভিযুক্ত আব্দুল মতিনের বিরোদ্ধে অনিত অভিযোগে উল্লেখ যোগ্য স্বাক্ষ প্রমান পাওয়া যায়নি।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD