1. admin@mymensingherkhobor.com : admin :
  2. amin@mymensingherkhobor.com : Amin :
  3. info@mymensingherkhobor.com : Aziz :
  4. editor@mymensingherkhobor.com : Editor :
  5. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
ময়মনসিংহের ফুটপাতেই মাসে হয় পনেরো লাখ টাকার চাঁদাবাজী! - দৈনিক ময়মনসিংহের খবর
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতারা ময়মনসিংহে চাঁদাবাজি থেকে সশস্ত্র দৌরাত্ম্য: প্রশাসনিক নীরবতায় প্রশ্ন আইনের শাসন নিয়ে ময়মনসিংহের ফুটপাতেই মাসে হয় পনেরো লাখ টাকার চাঁদাবাজী! ময়মনসিংহ সড়কে মাসে ৮ লাখ টাকা চাঁদাবাজী করে দুকুল বাহিনী! ময়মনসিংহে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন -আবু ওয়াহাব আকন্দ ময়মনসিংহে শীর্ষ চাদাঁবাজের নামে মামলা হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনের উন্নয়নে সকলের সহযোগীতা চাই -সালমান ওমর রুবেল এমপি ময়মনসিংহে নদীতে ঝাপিয়ে শাওন এর মৃত্যুঃ গ্রেফতার ৬ নদীতে ব্যাগ ও জুতা মিললেও এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি শাওনকে মিঠামইনে জবাই করে হত্যার ঘটনায় ১জন গ্রেফতার

ময়মনসিংহের ফুটপাতেই মাসে হয় পনেরো লাখ টাকার চাঁদাবাজী!

স্টাফ রিপোটার ::
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ শহরের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র গাংগীনার পাড় মার্টেক। অবৈধ দখল ও ফুটপাতের দোকানের কারণে সারাদিন যানজট লেগেই থাকে জনবহুল এই এলাকায়। সড়কের ডিভাইডারের এপাড়-ওপারে বসানো হয়েছে ফুটপাত। দিনের বেলা ও সন্ধ্যার পর ফুটপাতে থাকে না তিল ধারণের ঠাঁই। যার কারণে পথচারীদের পোহাতে হয় ভোগান্তি। সড়কে লেগে থাকে তীব্র যানজট। আর অবৈধ এই দখলের নেপথ্যে রয়েছে চাঁদাবাজি। প্রতি মাসে এই এলাকায় মোটা অংকের টাকা চাঁদাবাজি হয়। এই চাঁদাবাজির সঙ্গে পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের নেতারা যুক্ত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ময়মনসিংহ শহরের গাংগীনার পাড় এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পুরো এলাকার ফুটপাথে শত শত জামা-কাপড়, জুতা-স্যান্ডেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের হকারির দোকান। সবমিলিয়ে গাংগীনার পাড় এলাকায় ফুটপাত দোকান রয়েছেআড়াইশো থেকে তিনশো।

ফুটপাতের ভিডিও

চাঁদাবাজিতে যারা জড়িত
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজনৈতিক দলের নেতারা এসব চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। মধ্যম সারির নেতাদের ছত্রছায়া ও পুলিশের সহযোগিতায় এসব চাঁদাবাজি হচ্ছে। আবার কখনো নামে, কখনো বেনামে চাঁদাবাজি করেন নেতারা। বেশিরভাগ নেতাই বেনামে চাঁদাবাজি করেন। আর কখনও ঝামেলায় পড়লে পুলিশকে ব্যবহার করা হয় মীমাংসা জন্য।যাতায়াত সহজ ও হকারদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোন তৎপরতা চলমান নেই পুলিশের।
জানতে চাইতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানি বলেন, গাংগীনার পাড় ফুটপাতে দোকান করার বিনিময়ে প্রতি দিন নেতাদের দিতে হয় চাঁদা। চাঁদার পরিমাণ দোকান প্রতি দেড়শো থেকে দুইশো টাকা। ছোট-বড় দোকানভেদে আবার চাঁদার পরিমাণ হয় বাড়ে কমে। এসবই অবৈধভাবে ভোগ করছেন ফাড়ির এস আই জাহিদ ও নেতারা। সেই হিসাবে প্রতি মাসে পনেরো লাখের (টাকা) অধিক ফুটপাত থেকে চাঁদা পান তারা।
দোকানিদের অভিযোগ, এক সময় এই এলাকায় চাঁদাবাজি করতেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ক্ষমতার পালাবদলে এই চাঁদাবাজির সঙ্গে এবার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ও এস আই জাহিদ যুক্ত হয়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফুটপাতে কেউ কেউ ৩-৪টি পর্যন্ত দোকান নিয়ন্ত্রণ করেন। প্রতি মাসে এসব দোকান থেকে তারা নির্ধারিত চাঁদা আদায় করেন। এ সকল অভিযোগ সরাসরি দোকানীরা করে থাকেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বহ্নিস্কৃত নেতা বলেন, বেশিরভাগ নেতা বড় এক নেতার নামে-বেনামে চাঁদা আদায় করেন। নিজের নামে চাঁদাবাজি করেন খুবই কম নেতা। কেউ যাতে তাদের ধরতে না পারে এবং যাতে ক্লিন ইমেজে থাকতে পারেন, এজন্য বেনামে চাঁদাবাজি করেন। এতে ব্যবহার করেন ইন্তা নামের এক নেতা।আর মাঠে টাকা তুলেন হিরন নামের এক ব্যক্তি। ফুটপাত ব্যবসায়ীরা জানান, ইন্তা নেতার আন্ডারে ফুটপাত চলে।
রাস্তা যেন ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলে,
শহরের গাংগীনার পাড় থেকে স্টেশন রোড ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত হাফ কিলোমিটা রাস্তায় প্রায় ৩ শত দোকান ফুটপাতে বসে। মাত্র ৩০ ফুটের রাস্তার বেশীর ভাগ দখলে থাকে ফুটপাত ব্যবসায়ীর। আগের পৌর প্রশাসক ও পুলিশ সুপার প্রায় এক বছর ফুটপাত বসতে নাদিয়ে জানযট ও জন সাধারনের চলাচল সহজ করে ছিলেন। তৎসময়ে ফুটপাতে এতো চাঁদাবাজী ছিলোনা। এখন ফুটপাত বসে হয়, ধুমছে চলছে চাঁদাবাজী।
ফুটপাতের ব্যপারে ১ নং ফাড়ি ইনর্চাজ মাহবুব মিলকী জানান, আমি গাংগীনার পাড় রাস্তায় ফুটপাত বসতে দেইনা। আমি থাকা সময়ে কাউকে বসতে দেইনি। আমি ফাড়িতে নেই ২৬ তারিখে আসবো।
এস আই জাহিদের পরিচিতি,
ময়মনসিংহ শহরের ১ নং পুলিশ ফাড়িতে কর্মরত রয়েছেন এস আই জাহিদ। শহরের মালগুদাম, স্টেশনের ২ নং গেইট এলাকা, মেডিকেল গেইট, কৃষ্টপুর ও বাঘমারা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও কুখ্যাত ছিনতাইকারীদের সাথে তার ব্যাপক পরিচিতি। সবাই তাকে মামা বলে ডাকে। সুইচ গিয়ার চাকুপাটীর এক তার নেতার সাথে সখ্যতা ছিলো সাবেক আইসি’র। ফুটপাতের টাকা, আবাসিক হোটের টাকা, মাদক ব্যবসার টাকা সাপ্তাহিক হিসেবে তুলে দিতো এই নেতা। সেই আইসিকে নেতায় মামা বলে ডাকতো। তার স্থান দখল করেছে এই জাহিদ। ফলে এস আই জাহিদ মাদক ব্যবসায়ী, পেশাদার ছিনতাইকারী ও ফুটপাত ব্যবসায়ীদের মামা বনে যান। মামাই এখন ফাড়ি এলাকার কিং বলে পরিচিত! পতিতা পল্লীর ৩৪ টি অবৈধ মদের দোকানের নিত্য দিনের চাঁদার টাকা তার হাত ধরেই বিলি হয় বলে অভিযোগ!
এ সকল অভিাযোগের প্রেক্ষিতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেস্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে একটি ক্ষুদে বার্তা দিলেও যোগাযোগ করেন, মালগুদামের প্রায় অনেকে মামা বলে ডাকেন বলে তিনি জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD